Home /News /south-bengal /
Purba Burdwan || এক ছাতার তলায় সব হস্তশিল্প, সৌজন্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ

Purba Burdwan || এক ছাতার তলায় সব হস্তশিল্প, সৌজন্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ

পূর্ব বর্ধমান জেলার এই সব হস্তশিল্পের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। কিন্তু তা বিপণনের ক্ষেত্রে কিছুটা খামতি রয়েছে। সেই বিক্রির পথ সহজ করতে এগিয়ে এসেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ।

  • Share this:

    #পূর্ব বর্ধমান: নজরকাড়া সব হস্তশিল্প এক ছাতার তলায়। সে দরিয়াপুরের ডোকরা, নতুনগ্রামের কাঠের পুতুল হোক বা বনকাপাশির শোলা। জেলা সদরে আস্ত একটা শো-রুম পেয়েছেন এই  শিল্পীরা। সৌজন্যে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। বর্ধমানের পুলিশ লাইনে জেলা পুলিশের তরফে গড়ে দেওয়া‌ হয়েছে এই শো-রুম। নাম দেওয়া হয়েছে 'মাটির টান'। পুলিশ কনজিউমার্স কো-অপারেটিভ স্টোরের অধীনে রয়েছে এই মাটির টান। না লাভ, না লোকসান নীতিতে তাঁরা এই শিল্প সামগ্রী বিক্রি করছেন। শিল্পীদের নির্ধারিত দামে সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। লাভের পুরো অংশই পাচ্ছেন হস্তশিল্পীরা।

    পূর্ব বর্ধমান জেলার এই সব হস্তশিল্পের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। কিন্তু তা বিপণনের ক্ষেত্রে কিছুটা খামতি রয়েছে। সেই বিক্রির পথ সহজ করতে এগিয়ে এসেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। পুলিশ লাইনে জিটি রোডের ওপরে এই শোরুম গড়া হয়েছে। আধুনিক মানের এই আউটলেটে রয়েছে  এসি, সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থাও রয়েছে। আধুনিক আলোয় সাজিয়ে তোলা হয়েছে শো-রুম।

    আরও পড়ুন: মেয়ের পড়াশোনার টাকা জোগাতে হিমশিম, পার্থকে চটি ছুড়ে ভয়ে ঘরবন্দি গৃহবধূ শুভ্রা

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগেই বাংলায় CAA প্রক্রিয়া শুরু? শুভেন্দু অধিকারীর দাবি ঘিরে তুমুল জল্পনা

    জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন বলেন, "জেলায় আসার পর বিভিন্ন সরকারি মেলায় গিয়ে ডোকরা, কাঠের পুতুল, শোলার পুতুল, সাজের কথা জানতে পারি। শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে বুঝেছি এই সব শিল্প সামগ্রী বিপণনের একমাত্র জায়গা মেলা। জেলার কোথাও কোনও আউটলেটে বিক্রির সুযোগ নেই। তখনই মনস্থির করি সামাজিক প্রকল্পে  এই সব শিল্পীদের আউটলেটের ব্যবস্থা করা হবে।" পুলিশ সুপার আরও বলেন, "শিল্পীরা যে দাম নির্ধারিত করে দিয়েছেন সেই দামেই এই শোরুমে তা বিক্রি করা হচ্ছে। লাভের পুরো অংশই শিল্পীরা পাচ্ছেন। শিল্পীরা দোকানে তাঁদের সামগ্রী দিয়ে যাচ্ছেন।" আউশগ্রামের দরিয়াপুর, মঙ্গলকোটের বনকাপাশি ও পূর্বস্থলীর নতুনগ্রামের শিল্পীদের নিয়ে সমবায় গড়ে দিয়েছে প্রশাসন। সমবায়ের মাধ্যমে বিভিন্ন মেশায় গিয়ে থাকেন শিল্পীরা। এবার একটা আস্ত আউটলেট পেলেন তাঁরা।

    শরদিন্দু ঘোষ

    Published by:Rachana Majumder
    First published:

    Tags: East Burdwan

    পরবর্তী খবর