দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

অ্যাম্বুলেন্সের দাদাগিরিতে মরছে মানুষ, নৈরাজ্য আটকাতে কোমর বেঁধে নামল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন

অ্যাম্বুলেন্সের দাদাগিরিতে মরছে মানুষ, নৈরাজ্য আটকাতে কোমর বেঁধে নামল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন
অ্যাম্বুলেন্সের দাদাগিরি নিচ্ছে প্রাণ।

সাংসদ ও বিধায়ক টাকায় কেনা অনেক অ্যাম্বুলেন্স ব্যক্তিগত মালিকানা ভাড়া খাটছে বলে অভিযোগ উঠছে। সেগুলির ব্যাপারেও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় সরকারি ও বেসরকারি কতগুলি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে, সেগুলির পরিকাঠামো কেমন-সে ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে চলেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। অসহায়তার সুযোগ নিয়ে ন্যূনতম পরিকাঠামো ছাড়াই রোগীদের কাছ থেকে মোটা টাকা ভাড়া নিচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সগুলি- এই অভিযোগ উঠছে বারেবারেই। অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে এবার সেগুলির পরিকাঠামো যথাযথ কিনা সে ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজখবর নেওয়া শুরু করতে চলেছে জেলা প্রশাসন।এর পাশাপাশি সাংসদ ও বিধায়ক টাকায় কেনা অনেক অ্যাম্বুলেন্স ব্যক্তিগত মালিকানা ভাড়া খাটছে বলে অভিযোগ উঠছে। সেগুলির ব্যাপারেও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, এলাকার বাসিন্দাদের সুবিধার কথা ভেবেই কম খরচে বাসিন্দাদের পরিষেবা দিতে বিধায়ক বা সাংসদ তহবিলের টাকায় ওইসব অ্যাম্বুলেন্সগুলি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে। অথচ সেগুলি লাভজনকভাবে কোনও কোনও ব্যক্তিকে ভাড়া দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ আসছে। তা কখনই বরদাশ্ত করা হবে না। প্রয়োজনে জেলাশাসকের নামে রেজিস্ট্রেশন থাকা ওই অ্যাম্বুলেন্সগুলি জেলা প্রশাসন নিজেদের হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করবে। বিধায়ক সাংসদ তহবিলের টাকায় কেনা আম্বুলান্সগুলি জেলা প্রশাসন নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তা করোনা মোকাবেলায় কাজে লাগাবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী।এবার জেলা প্রশাসন সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ব্যাপারে তৎপরতা শুরু করেছে।

গত মঙ্গলবার রাতে একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স দশ কিলোমিটার দূরত্বে রোগী পৌঁছে দিতে কুড়ি হাজার টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ উঠেছে। পথে বিকল হয়ে যায় ওই অ্যাম্বুলেন্স। মারা যান রোগী। আকাশছোঁয়া ভাড়া ও রোগী মৃত্যুর কথা শুনে অ্যাম্বুলেন্সে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। মানুষের জীবন নিয়ে বিভিন্ন নার্সিংহোম ও চিকিৎসা পরিষেবা প্রদানকারী বেসরকারি সংস্থাগুলি ছিনিমিনি খেলছে বলে অভিযোগ তোলেন মৃতের আত্মীয়রা। আশঙ্কাজনক রোগীদের নিয়ে মুনাফার খেলা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।

এরপরই নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন। ওই অ্যাম্বুল্যান্সে সঠিক পরিকাঠামো ছিল কিনা, ওই অ্যাম্বুলেন্সে ভেন্টিলেশন সাপোর্ট দেওয়ার মতো উপযুক্ত পরিকাঠামোর ছিল কিনা, অ্যাম্বুলেন্সের কমার্শিয়াল লাইসেন্স রয়েছে কিনা সবকিছু খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী।এ ব্যাপারে তিনি বিস্তারিত তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে। সেইসঙ্গে জেলায় কতগুলি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে, সেগুলির পরিকাঠামো কেমন সে ব্যাপারেও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে জেলা প্রশাসন।

Published by: Arka Deb
First published: October 8, 2020, 11:17 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर