দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বৃষ্টি হলেই জল থইথই জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোড, সমস্যা মেটাতে সরব বাসিন্দারা

বৃষ্টি হলেই জল থইথই জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোড, সমস্যা মেটাতে সরব বাসিন্দারা

জাতীয় সড়কের বেহাল নিকাশি ব্যবস্থাকেই এ জন্য দায়ী করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, এক পশলা বৃষ্টি হলেই জল জমে ভোগান্তি রুটিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • Share this:

#গলসি: বৃষ্টি হলেই জল দাঁড়িয়ে যাচ্ছে পূর্ব বর্ধমানের গলসির কুড়মুনা-চন্দনপুর মোড়ে দু-নম্বর জাতীয় সড়কের  সার্ভিস রোডে। টানা বৃষ্টি হলেই জল থইথই করছে সার্ভিস রোডে। এখনও জমে রয়েছে জল। নিকাশি ড্রেনের জল উপচে রাস্তায় জমে থাকায় চরম সমস্যায়  পড়ছেন সাধারণ মানুষ। জাতীয় সড়কের বেহাল নিকাশি ব্যবস্থাকেই এ জন্য দায়ী করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, এক পশলা বৃষ্টি হলেই জল জমে ভোগান্তি রুটিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গলসির চন্দনপুর কুড়মুনা মোড়ে এসে বর্ধমান, দুর্গাপুর-সহ বিভিন্ন রুটের বাসে চড়েন এলাকার বাসিন্দারা। এই মোড়টিই ওই দুই গ্রাম ও আশপাশের গ্রামগুলিতে যাওয়ার একমাত্র পথ। এই মোড়ের কাছেই দু-নম্বর জাতীয় সড়কে একটি উড়ালপুল রয়েছে। সেই পুলের তলাতেই জল জমে থাকছে। বাসিন্দাদের  অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই ড্রেনের জল রাস্তায় উপচে পড়ে। রাস্তায় হাঁটু সমান জল জমে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। জাতীয় সড়কের নিকাশি নালা ঠিক মতো সংস্কার না হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে মহিলা শিশু সবাইকেই নোংরা জল ঠেলে রাস্তা পার হতে হচ্ছে। গাড়ি নিয়ে সার্ভিস রোড ব্যবহার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এর ফলে জলবাহিত নানান রোগে অনেকেই সংক্রমিত হতে পারেন এমন আশংকা থেকেই যাচ্ছে।

গলসি দু-নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরি বলেন, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হবে। দিনের পর দিন এই সমস্যা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। কেন জল জমে থাকছে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। জাতীয় সড়কের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, ওই এলাকাটি তুলনামূলক নিচু। তাই সেখানে এসে জল জমে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। নর্দমা রয়েছে। কিন্তু সেই নর্দমার গায়ে অনেকেই অবৈধ নির্মাণ করেছে। ফলে নর্দমা প্রায় বুজে গিয়েছে। ফলেজল নামতে অনেক দেরি হচ্ছে। এই সমস্যা যাতে না থাকে তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Saradindu Ghosh

Published by: Shubhagata Dey
First published: August 22, 2020, 10:48 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर