• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • দুবরাজপুরে খোলামুখ কয়লাখনির জন্য DVC-প্রশাসনকে গ্রামে আসতে হবে, দাবি কৃষিজমি রক্ষা কমিটি

দুবরাজপুরে খোলামুখ কয়লাখনির জন্য DVC-প্রশাসনকে গ্রামে আসতে হবে, দাবি কৃষিজমি রক্ষা কমিটি

বারবার প্রশাসনিক বৈঠকে যান বীরভূমের লোবা কৃষিজমি কমিটির সদস্যরা ,  প্রশাসনিক বৈঠক হয় কিন্তু কিছুই হয়না,  DVC ও সঠিক প্যাকেজ ঘোষনা করে না এলাকায় খোলা মুখ কয়লা খনি তৈরী করার জন্য।

বারবার প্রশাসনিক বৈঠকে যান বীরভূমের লোবা কৃষিজমি কমিটির সদস্যরা , প্রশাসনিক বৈঠক হয় কিন্তু কিছুই হয়না, DVC ও সঠিক প্যাকেজ ঘোষনা করে না এলাকায় খোলা মুখ কয়লা খনি তৈরী করার জন্য।

বারবার প্রশাসনিক বৈঠকে যান বীরভূমের লোবা কৃষিজমি কমিটির সদস্যরা , প্রশাসনিক বৈঠক হয় কিন্তু কিছুই হয়না, DVC ও সঠিক প্যাকেজ ঘোষনা করে না এলাকায় খোলা মুখ কয়লা খনি তৈরী করার জন্য।

  • Share this:

#দুবরাজপুর: বারবার প্রশাসনিক বৈঠকে যান বীরভূমের লোবা কৃষিজমি কমিটির সদস্যরা ,  প্রশাসনিক বৈঠক হয় কিন্তু কিছুই হয়না,  DVC ও সঠিক প্যাকেজ ঘোষনা করে না এলাকায় খোলা মুখ কয়লা খনি তৈরী করার জন্য। তাই বিরক্ত হয়ে আর প্রশাসনিক বৈঠকে অংশগ্রহন না করার কথা ঘোষনা করল বীরভূমের দুবরাজপুরের লোবা কৃষি জমি রক্ষা কমিটি।  রবিবার বীরভূমের দুবরাজপুরের লোবা গ্রামে কালী মন্দিরে মিটিং-র পরে কথা শোনাল কৃষিজমি রক্ষা কমিটি। কৃষি জমি রক্ষা কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে আর সরকারি অফিসে গিয়ে কোনওরকম আলোচনা করবে না।  শিল্প যদি করতেই হয়, তবে লোবা গ্ৰামে এসে কৃষি জমি রক্ষা কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসে সমস্যার সমাধান করতে হবে।

এর আগে বারবার বৈঠক হলেও দীর্ঘ লকডাউনের পর এই প্রথম দুবরাজপুরের লোবাতে কৃষি জমি রক্ষা কমিটি সভা করল লোবা কালী মন্দির চত্বরে এই সভায়। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে এই লোবা গ্রামে আটকে রাখা জেসিবি উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশ গুলি চালায়। আহত হয় লোবা গ্রামের বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী। লোবা কৃষি জমি রক্ষা কমিটির সম্পাদক জয়দীপ মজুমদার জানিয়েছেন, ২০১১ সাল থেকে লোবা কৃষিজমি এলাকায় খোলামুখ কয়লা খনি করার চেষ্টা করে চলেছে প্রশাসন,  তখন থেকেই লোবা গ্রামের গ্রামবাসীদের দাবি তাঁদেরকে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে শিল্প হোক এলাকায়।

জয়দীপ মজুমদার আরও জানিয়েছেন তারা কখনওই শিল্প বিরোধী নন। তবে গ্রামবাসীদের বঞ্চিত করে যাতে কোন শিল্প না তৈরি হয় সেদিকটা দেখতে হবে রাজ্য সরকারকেই। ২০১২ সালের ৬ নভেম্বর এই লোবা গ্রামে পুলিশ জেসিবি উদ্ধার করতে এসে গুলি চালায়,  আহত হন লোবা গ্রামের বেশ কয়েক জন গ্রামবাসী। তারপর মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করেছিল লোবা গ্রাম কোনো কৃষকের জমি জোর করে নেওয়া হবে না,  সেই মতই বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশাসনিক বৈঠক হয়েছে লোবা কৃষিজমি রক্ষা কমিটির সাথে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ফলপ্রসূ কিছু হয়নি। ডিভিসির ঘোষণা করা ক্ষতিপূরণ পছন্দ হয়নি কৃষিজমি রক্ষা কমিটির।

Supratim Das

Published by:Shubhagata Dey
First published: