• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • লকডাউনে জুটছে না খাবার, দরিদ্র বাসিন্দাদের যত্ন করে খাওয়াল বর্ধমানের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

লকডাউনে জুটছে না খাবার, দরিদ্র বাসিন্দাদের যত্ন করে খাওয়াল বর্ধমানের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

ক দরিদ্র ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর শ্রাদ্ধ উপলক্ষে আত্মীয় পরিজনদের মধ্যাহ্ন আহারেরও ব্যবস্থা করে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

ক দরিদ্র ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর শ্রাদ্ধ উপলক্ষে আত্মীয় পরিজনদের মধ্যাহ্ন আহারেরও ব্যবস্থা করে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

ক দরিদ্র ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর শ্রাদ্ধ উপলক্ষে আত্মীয় পরিজনদের মধ্যাহ্ন আহারেরও ব্যবস্থা করে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা

  • Share this:

#বর্ধমান: লকডাউনে সব বন্ধ। সমস্যায় দিন আনি দিন খাই পরিবারের সদস্যরা। রান্না করা খাবার নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ালো বর্ধমানের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এদিন ওই সংস্থার সদস্যরা ৭০০ বাসিন্দার মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করে। বর্ধমান রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের মাছ, ভাত ডা্‌ সবজি খাওয়ার ব্যবস্থা করে তারা। পাশাপাশি এলাকার এক দরিদ্র ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর শ্রাদ্ধ উপলক্ষে আত্মীয় পরিজনদের মধ্যাহ্ন আহারেরও ব্যবস্থা করে মানুষ মানুষের জন্য নামে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

করোনা পরিস্থিতি ও লকডাউনের কারণে বার বারই সমস্যার মধ্যে পড়ছেন দরিদ্র বাসিন্দারা। অনেকেই সারাদিন যা উপার্জন করেন তাতে ঠিকঠাকভাবে সংসারের সব সদস্যের ভরপেট খাবার জোটে না। তাই লকডাউনের দিনে কাজ না থাকলে অভুক্ত থাকতে হয় অনেককেই। এছাড়াও রয়েছেন ভবঘুরে ও পথশিশুরা। লকডাউনের সময় পেট ভরানোর খাবার জোটাতে চরম সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় তাদের। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে একটানা লকডাউনের সময় শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে দিনের-পর দিন দরিদ্র বাসিন্দাদের খাবারের ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী হতে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু চলতি মাসে রাজ্যের ডাকা লকডাউনের দিনগুলিতে সেইসব সংস্থাগুলির অনেকেরই সেভাবে দেখা মিলছে না। ফলে সমস্যার মধ্যে পড়ছেন পিছিয়ে পড়া দিন আনি দিন খাই পরিবারের বাসিন্দারা।

সেই সব পরিবারের শিশু বয়স্ক সহ সব সদস্যদের দুপুরের আহারের ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী হল মানুষ মানুষের জন্য নামে বর্ধমানের এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। সংস্হার সদস্যরা জানালেন, বৃহস্পতিবার এলাকার দরিদ্র বাসিন্দাদের দুপুরের আহারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শুক্রবারও অন্তত সাতশো বাসিন্দা দুপুরের আহার গ্রহণ করেছেন। আগামী লকডাউনের দিনগুলিতেও তাঁরা এই উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। সদস্যরা জানান, নিজেরা অর্থ দিয়ে একটি ফান্ড গড়েছিলেন। এখন অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। সেসব নিয়েই মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। একটানা লকডাউনের সময় টানা দুমাসের ওপর দরিদ্র বাসিন্দাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছিল তারা।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published: