• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর দুর্গাপুর ব্যারাজের লকগেট মেরামতির কাজ সম্পূর্ণ

প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর দুর্গাপুর ব্যারাজের লকগেট মেরামতির কাজ সম্পূর্ণ

Representative Image

Representative Image

প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর দুর্গাপুর ব্যারাজের লকগেট মেরামতির কাজ সম্পূর্ণ

  • Share this:

     #দুর্গাপুর: প্রায় পঞ্চাশ ঘণ্টা পর আজ সকালে দুর্গাপুর ব্যারাজের মেরামতির কাজ শেষ হল। ক্ষতিগ্রস্ত এক নম্বর লক গেটের নীচের অংশ লোহার পাত দিয়ে ওয়েল্ডিং করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ধীরে ধীরে মাইথন থেকে জল ছাড়া হচ্ছে। ফলে রবিবার বিকেলের মধ্যেই দুর্গাপুর ব্যারাজের জলস্তর স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার ভোর পাঁচটা নাগাদ এক নম্বর লকগেটের নীচের দিকে দু'পাশ দিয়ে প্রবল বেগে জল বেরোন শুরু হয়। জানা যায়, পাত বেঁকে যাওয়াতেই বিপত্তি হয়।

    শুক্রবার ভোর পাঁচটা। আচমকা দুর্গাপুর ব্যারাজের এক নম্বর লকগেটের দু’দিক থেকে হু হু করে জল বেরোতে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন সেচ দফতরের আধিকারিকরা। লকগেটের নীচের অংশ ভেঙে গেছে বলে অনুমান করা হয়। কিন্তু সঠিক কারণ জানতে বেশ কিছুক্ষণ সময় কেটে যায়।

    সকাল ৮ লকগেট পরীক্ষার পর জানা যায়, এক নম্বর লকগেটটি যে চ্যানেলের উপর ছিল তা সরে গিয়েছে

    সকাল ৯ রাজ্যের সেচ দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত মেরামতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তখনই ডিভিসিকে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে জল ছাড়তে বারণ করা হয়

    দুপুর ২ শুরু হয় লকগেট মেরামতির কাজ। প্রথমে কপিকলের সাহায্যে চেন ও কেবলের মাধ্যমে গেটটিকে সোজা করার চেষ্টা করা হয়

    দুপুর ৩ গার্ডওয়াল সেই চাপ সহ্য করতে না পারায় তা বাতিল করতে হয়। এরপর ক্রেনের সাহায্য নেন ইনজিনিয়রা। কিন্তু তাও বিফল হয়

    সন্ধে ৬ বালির প্যাকেট দিয়ে জলের স্রোত বন্ধের চেষ্টা হলেও, ব্যর্থ হন আধিকারিকরা

    রাত ১ সেচ দফতর, ডিভিসি ও সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের আধিকারিকরা সিদ্ধান্ত নেন, জল বের করে মেরামতি করা হবে। সেইমতো ব্যারাজের দশটি গেট খুলে জল বের করা হয়

    শনিবার সকাল ৭ ব্যারাজ জলশূন্য করে লকগেটের নীচে লোহার সিট ফেলে শুরু হয় কাজ

    কিন্তু কী কারণে ঘটল বিপত্তি? সেচ দফতর সূত্রে খবর, এক নম্বর গেট নিয়মিত না খোলার জন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। সঠিক কারণ জানতে তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন সেচ দফতরের সচিব।

    মেরামতির পর মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে ফের জল ছাড়া হয়। আশঙ্কা কাটিয়ে স্বাভাবিক হল দুর্গাপুর ব্যারাজের পরিস্থিতি।

    First published: