কীভাবে তৈরি হচ্ছে ‘ডুপ্লিকেট তেল’ ? নকল ডিজেল কারবার বন্ধের উপায় কী ? উঠছে প্রশ্ন

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 03, 2019 05:00 PM IST
কীভাবে তৈরি হচ্ছে ‘ডুপ্লিকেট তেল’ ? নকল ডিজেল কারবার বন্ধের উপায় কী ? উঠছে প্রশ্ন
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 03, 2019 05:00 PM IST

#কলকাতা: সাধারণ মানুষের করের টাকায় ভর্তুকি দেয় সরকার। সেই ভর্তুকিতে পাওয়া কেরোসিন তেল নিয়েই চলছে বেআইনি ব্যবসা। নীল কেরোসিন থেকে জাল ডিজেল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় রমরমিয়ে চলছে এই বেআইনি কারবার। অভিযোগ, প্রশাসনের একাংশের মদতেই এ সব হচ্ছে।

সরকার ভর্তুকি দিয়ে যে নীল কেরোসিন তেল দেয়, তা হাতিয়ে চলছে বেআইনি কারবার। নীল রঙের কেরোসিন তেলে নানা ধরনের কেমিক্যাল মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে জাল ডিজেল। এই জাল ডিজেলই বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। যা ব্যবহার হচ্ছে কখনও সেচের কাজে যন্ত্র চালাতে, কখনও আবার মাছ ধরার ট্রলারে।

এখানে ‘ডুপ্লিকেট তেল’ পাওয়া যায়। ডিজেল বলা হয়। কিন্তু, কেরোসিন মেশানো। কেরোসিনের সঙ্গে মোবিল মিশিয়ে চালানো হয়। বড় ইঞ্জিনও চলে তাতে ৷

কীভাবে তৈরি হয় এই জাল ডিজেল ?

প্রথমে নীল কেরোসিনের মধ্যে কেমিক্যাল মিশিয়ে সাদা করা হয়

Loading...

তারপর ফের কেমিক্যাল মিশিয়ে তৈরি করা হয় জাল ডিজেল

আয়লা বিধ্বস্ত কাকদ্বীপ, নামখানা, রায়দিঘি, পাথরপ্রতিমা, গঙ্গাসাগরে এই জাল ডিজেল ব্যবসার রমরমা।

আয়লা বিধ্বস্ত এলাকায় রেশনে এখন মাথাপিছু মাসে ২ লিটার কেরোসিন দেয় সরকার ৷ কিন্তু, প্রায় সব বাড়িতেই বিদ্যুৎ ও রান্নার গ্যাস থাকায় কেরোসিন তেমন ব্যবহার হয় না।

অনেকেই তাই কেরোসিন বেচে দেন। অভিযোগ, অনেক অসাধু রেশন ডিলার, গ্রাহকদের থেকে কম দামে কেরোসিন কিনে, বেশি দামে বেআইনি কারবারিদের তা বিক্রি করে দেন। তাতেই নানা কেমিক্যাল ব্যবহার করে তৈরি করা হয় জাল ডিজেল।

কিন্তু, জাল জেনেও মৎস্যজীবীরা এই জ্বালানী ব্যবহার করেন কেন ? এক ক্রেতার কথায়, ‘ পাম্পের থেকে ২ টাকা কম। বাকিতে পাওয়া যায়, তাই কিনি। ১০০-২০০ লিটার বাকিতে দেয়। তাই কিনি ৷’

এই বেআইনি কারবার তা হলে বন্ধ হবে কীভাবে ? প্রশ্ন অনেকেরই।

আরও দেখুন-

First published: 04:49:52 PM Sep 03, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर