corona virus btn
corona virus btn
Loading

লক ডাউনঃ খাদ্য সংকটের আশঙ্কায় বাজারে উপচে পড়া ভিড়, দ্বিতীয় দিনেই আকাশ ছোঁয়া মাছ-মাংস-ডিম

লক ডাউনঃ খাদ্য সংকটের আশঙ্কায় বাজারে উপচে পড়া ভিড়, দ্বিতীয় দিনেই আকাশ ছোঁয়া মাছ-মাংস-ডিম

লক ডাউনের জেরে বাজারে আকাল।

  • Share this:

#বর্ধমানঃ লক ডাউনের জেরে মাছের আকাল বর্ধমানের মাছ বাজারগুলিতে। পাইকারি বাজারে মাছের আমদানি কম। তার প্রভাব পড়ছে খুচরো বাজারে। অনেক বেশি দামে মাছ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন বাসিন্দারা। লোকাল মাছের আমদানি নেই। আবার চালানি মাছেরও যোগান কম। অনেকে তাই মাছের বাজার এড়িয়ে চলছেন। ডিম কিনে কাজ চালাচ্ছেন অনেকেই। চাহিদা বাড়ায় বেড়েছে ডিমের দামও।

এক সপ্তাহ আগেও বর্ধমানে ডিমের দাম প্রতি পিস ৩.৫০ টাকায় নেমে গিয়েছিল। সেই পোলট্রির ডিম এখন দ্বিগুন দামে বিক্রি হচ্ছে। অনেক খুচরো বিক্রেতা ৬টাকা এমনকি সাত টাকা দামেও ডিম বিক্রি করছেন। পাইকারি বাজারে ৩০টি ডিমের দাম ১৫০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, মাছ ও মুরগির মাংসের যোগান কম থাকায় ডিমের চাহিদা বেড়েছে। বাইরে থেকে এখন ডিমের যোগান কিছুটা কম রয়েছে। তার জন্যই বাড়তি দাম দিতে হচ্ছে।

বর্ধমানের রেল স্টেশন বাজার, তেঁতুল তলা বাজার, নীলপুর বাজার, পুলিশ লাইন বাজার, কালনা গেট বাজার সর্বত্রই এখন মাছের দাম আগুন। স্হানীয় কাতলা ৩৫০-৪০০টাকা কেজি। স্হানীয় রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২৫০-৩০০ টাকায়। পমফ্রেট মাছ ৭০০টাকা কেজি। সিঙি মাগুর ৯০০টাকা। বিক্রেতাদের দাবি, কাটোয়া, মেমারি ও তার আশপাশ থেকে লোকাল জ্যান্ত রুই কাতলা আসে। কিন্তু লক ডাউনের জেরে এখন মাছ ধরা বন্ধ। অনেকেই বাজারে মাছ পাঠানোর সাহস পাচ্ছেন না। বাজারে ক্রেতাও দিন দিন কমছে। তাই অনেক বিক্রেতাও মাছ আনছেন না। অনেকে বসিরহাটের মাছ বরফ দিয়ে রেখে বিক্রি করছেন।

চাহিদা বেড়েছে মুরগির মাংসেরও। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তার দামও। অনেক জায়গায় ১৮০-২০০ টাকা পর্যন্ত কেজি প্রতি কাটা মাংস বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, মুরগি প্রায় নেই বললেই চলে। অন্যদিকে, এখন চাহিদা বেড়েছে অনেকটাই। সেজন্যই দাম বেশি। দাম ক্রমশ বাড়ছে খাসির মাংসের। ৫৬০ টাকা থেকে তার দাম হয়েছে ৬০০টাকায। কোথাও কোথাও বিক্রি হচ্ছে। ৭০০ টাকায়।

Saradindu Ghosh

First published: March 26, 2020, 7:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर