সন্ধেবেলায় লটারির টিকিট কেটে রাতেই কোটিপতি গাড়ি চালক রূপেশ 

সন্ধেবেলায় লটারির টিকিট কেটে রাতেই কোটিপতি গাড়ি চালক রূপেশ 

শরদিন্দু ঘোষ মাঝে মাঝে লুকিয়ে লটারির টিকিট কিনতেন গলসির ম্যাক্স চালক শেখ রূপেশ। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে সন্ধেবেলায় কিনেছিলেন টিকিট।

  • Share this:

বর্ধমান:  সন্ধেবেলায় লটারির টিকিট কেটেছিলেন। তিন ঘন্টা কাটতে না কাটতেই রাত ৯টায় হয়ে গেলেন কোটিপতি। পেশায় গাড়ি চালক রূপেশ কোনও রকমে সংসার চালাতেন। সকালেও গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন। রাতে বাড়ি ফিরলেন কোটিপতি হয়ে। পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে এখন আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছেন তিনি।

মাঝে মাঝে লুকিয়ে লটারির টিকিট কিনতেন গলসির ম্যাক্স চালক শেখ রূপেশ। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে সন্ধেবেলায় কিনেছিলেন টিকিট। তাতেই মিলল এক কোটি টাকা। বিকেলে গলসি বাজারে ফল কিনছিলেন। ফলের দোকানের পাশেই ছিল লটারির দোকান ৷ ওই সময় ২০০ টাকা পটেকে ছিল তাঁর । তা থেকে তিনি ৬০ টাকা দিয়ে দুটি সিরিজ ডিয়ার ইভিনিং লটারি কিনে ফেলেন। রাত ৯টার পর পর জানতে পারেন ওই দুটির মধ্যে একটি টিকিটে তিনি এক কোটি টাকা পেয়েছেন। তিনি 87A 12782 এবং 87A 12783 এই দুটি নম্বরের পাঁচ সেমের টিকিট কেনেন। তার মধ্য 87A 12782 নম্বরে তার ভাগ্যে লেগে যায় এক কোটি টাকা। রাত থেকে সুরক্ষার জন্য তিনি চুপচাপ থাকেন। তারপর সকালে হতেই তিনি বর্ধমানের স্টেট ব্যাঙ্কের মেন শাখায় যোগাযোগ করেন ও সেখানে জমা দেন তার ওই টিকিট। তারপর বেলা একটার সময় গলসির ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কে যোগাযোগ করেন তার একাউন্টে টাকা নেওয়ার জন্য। সঠিক কত টাকা পাবেন তা তিনি এখনও জানতে না পারলেও ষাট টাকার টিকিটে বদলে যেতে চলেছে তার ভাগ্য ৷

রূপেশ গলসিতে সরকারি এক রেশন ডিস্ট্রিবিউটারের গাড়ি চালান। সপ্তাহের অধিকাংশ দিন রেশন সামগ্রী এলাকার রেশন ডিলারদের বাড়িতে পৌঁছে দেন। এই কাজে মাসে ৭ হাজার টাকা বেতন পান তিনি। বাড়িতে স্ত্রী, কন্যা, মা, বাবা ও ভাইকে নিয়ে তাঁর অভাবের সংসার। বাবা দিনমজুরের কাজ করে তাদের মানুষ করেছেন। তবে বর্তমানে রূপেশ ও তার ছোট ভাই শেখ আনারুল গাড়ি চালিয়ে তাদের সংসার চালাতো। দু’জনের উপার্জন থেকে কোনক্রমে সংসার চলত। স্ত্রী ও মালিক দিলীপ রায়কে সঙ্গে নিয়ে এদিন ব্যাঙ্কে আসেন রূপেশ।

রূপেশ জানান, অভাবের সংসারে এই টাকা খুবই উপকারে আসবে। আপাতত একটি বাড়ি তৈরি ও কিছু জমি কেনার ইচ্ছে রয়েছে বলে জানালেন তিনি।

Saradindu Ghosh

First published: January 29, 2020, 5:19 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर