দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

পর্যটন শিল্প বাঁচাতে এবার তৈরি হল তথ্যচিত্র, মানুষের ভয় কাটাতে বেড়িয়ে পড়লেন ট্যুর অপারেটরেরা

পর্যটন শিল্প বাঁচাতে এবার তৈরি হল তথ্যচিত্র, মানুষের ভয় কাটাতে বেড়িয়ে পড়লেন ট্যুর অপারেটরেরা

দেশের ছ'জন ট্যুর অপারেটর দেশের ২৯টি শহর এবং ৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘুরছেন। মাত্র ৩৬ দিনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ১৮ হাজার কিলোমিটার। উদ্দেশ্য একটাই, নিজেদের ঘুরে-বেড়ানোর ছবি দেখিয়ে পর্যটকদের ফের বাড়ির বাইরে টেনে আনা।

  • Share this:

#কলকাতা: কোভিড-কালে যে সব শিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তার মধ্যে পর্যটন অন্যতম। লকডাউন কাটিয়ে উঠে আনলক শুরু হওয়ার পরে দেশের অনেক পর্যটন কেন্দ্রই খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতে পর্যটকদের দেখা মিলছে না। এ বার তাই পর্যটক টানতে ট্যুর অপারেটরেরা নিজেরাই বেড়িয়ে পড়লেন। পর্যটকদের ভয় কাটাতে এবং কী ভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে এই নিউ-নর্মালের সময়ে পর্যটন শিল্প চলছে, তার হাতে গরম অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে নিজেরাই হাতে তুলে নিয়েছেন ক্যামেরা।

দেশের ছ'জন ট্যুর অপারেটর দেশের ২৯টি শহর এবং ৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘুরছেন। মাত্র ৩৬ দিনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ১৮ হাজার কিলোমিটার। উদ্দেশ্য একটাই, নিজেদের ঘুরে-বেড়ানোর ছবি দেখিয়ে পর্যটকদের ফের বাড়ির বাইরে টেনে আনা। আর পায়ে সরষে লাগানো পর্যটন-প্রিয় মানুষগুলিকে যদি একবার বাড়ির বাইরে টেনে আনা যায়, তা হলে আবার জমজমাট হয়ে উঠবে শিল্প, বেঁচে যাবে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত বহু পরিবার।

গুজরাতের ট্যুর অপারেটর পবন দুবে বলেন, "আমরা নিজেদের দিয়েই উদাহরণ তৈরি করতে চেয়েছি। আমরা নিজেরাই গাড়িতে সারা দেশ ঘুরছি। মানুষকে বলতে চাইছি, আমরা যদি নিশ্চিন্তে এবং সুস্থ ভাবে ঘুরে বেড়াতে পারি, তবে আপনারাই বা কেন পারবেন না!" ট্রাভেল এজেন্সি অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধি চন্দ্রপ্রকাশ বলেন, "আমরা এই তথ্যচিত্রের মাধ্যমে পর্যটকদের আবেদন জানাচ্ছি, আপনারা বের হন, নিয়ম মেনে বের হলে কোনও ভয় নেই। তাতে এক দিকে যেমন পর্যটন শিল্প বাঁচবে, তেমনই বাঁচবে এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত পাঁচ কোটিরও বেশি মানুষ।" শেষপর্যন্ত এত চেষ্টা, এত আবেদনের পরে আবার কি চেনা ভিড় দেখা যাবে পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে? আপাতত সেই আশাতেই বুক বাঁধছেন পবন, চন্দ্রপ্রকাশেরা।

Published by: Pooja Basu
First published: October 19, 2020, 11:19 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर