ডাক্তারকে ডেকেও মেলেনি সাড়া, যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ রোগীর

বহু ডেকেও কোনও চিকিৎসক বা নার্সের সাড়া পাননি ৷ গোটা শরীরেঅসহ্য যন্ত্রণা ৷ যন্ত্রণায় হাসপাতালের বেডে ছটফট করা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধের কাছে ৷

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Aug 14, 2016 03:53 PM IST
ডাক্তারকে ডেকেও মেলেনি সাড়া, যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ রোগীর
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Aug 14, 2016 03:53 PM IST

 #উলুবেড়িয়া: বহু ডেকেও কোনও চিকিৎসক বা নার্সের সাড়া পাননি ৷ গোটা শরীরেঅসহ্য যন্ত্রণা ৷ যন্ত্রণায় হাসপাতালের বেডে ছটফট করা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধের কাছে ৷ রোগ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক বৃদ্ধ ৷ ট্রেনের তলায় প্রাণ না গেলেও কাটা গেল বৃদ্ধের দুটি পা ৷ প্রশ্ন উঠেছে কার গাফিলতিতে অসহায় রোগীর এমন পরিণতি?

গত তিন দিন আগে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হন হাওড়ার চেঙ্গাইলের বাসিন্দা নিরঞ্জন রায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে খুবই অসুস্থ বোধ করতে থাকেন ষাটোর্ধ্ব নিরঞ্জন।

অভিযোগ, ডাক্তার বা নার্সদের ডাকাডাকি করলেও কেউ আসেনি। ভোর হতে হতে যন্ত্রণা সহ্যের বাইরে চলে যাওয়ায় হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে কাছেই উলুবেড়িয়া স্টেশনে পৌঁছন তিনি। সেখানে আপ মেদিনীপুর লোকালের সামনে ঝাঁপ দেন।

নিরঞ্জনবীবু প্রাণে বাঁচলেও, কাটা গিয়েছে তাঁর দুটি পা । তাঁকে ফের উলুবেড়িয়া হাসপাতালেই ভর্তি করে রেলপুলিশ। ঘটনার কথা সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের পর হাসপাতাল সুপারকে তদন্ত কমিটি বসানোর নির্দেশ নিয়েছে স্বাস্থ্যভবন। ওই রিপোর্ট নিয়ে মঙ্গলবার হাসপাতাল সুপারকে দেখা করতেও বলা হয়েছে। হাসপাতাল সুপার শান্তিরঞ্জন কাঁড়া বলেন, ‘কমিটির রিপোর্ট দেখে দোষীর শাস্তি হবে ৷’

First published: 03:53:04 PM Aug 14, 2016
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर