corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা আক্রান্তের হদিস মেলায়, এই এলাকায় বন্ধ করা হচ্ছে ডাক্তারদের চেম্বার

করোনা আক্রান্তের হদিস মেলায়, এই এলাকায় বন্ধ করা হচ্ছে ডাক্তারদের চেম্বার

বাফার জোনে বর্ধমানের ডাক্তারপাড়া খোসবাগান, বন্ধ করা হচ্ছে ডাক্তারদের চেম্বার

  • Share this:

#বর্ধমান: র্ধমানের খোসবাগান এলাকা থেকে ডাক্তারদের চেম্বার সরানোর সিদ্ধান্ত নিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন।পাশেই সুভাষপল্লী এলাকায় করোনা আক্রান্তের হদিস মেলায় এই সিদ্ধান্ত বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।  ইতিমধ্যেই সুভাষপল্লী এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। জেলা পুলিশ প্রশাসন ওই এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।  তেমনই এলাকার বাসিন্দাদেরও বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

ওই এলাকার পাশেই বাফার এলাকার মধ্যে পড়ে বর্ধমানের ডাক্তার পাড়া খোসবাগান। সেখানে শুধু পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দারা নন, আশপাশ জেলা থেকেও প্রচুর রোগী আসেন। খোসবাগানের বিভিন্ন চিকিৎসকের চেম্বার, প্যাথোলজিক্যাল সেন্টার এতদিন বন্ধ থাকলেও 3 মে থেকে সেই চেম্বার, প্যাথোলজিক্যাল  সেন্টার খুলতে শুরু করেছে। ফলে ইতিমধ্যেই  খোসবাগান এলাকায় ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  আর তাতেই চিন্তিত জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর ও প্রশাসনের আধিকারিকরা।

তাঁরা বলছেন, কন্টেটেইনমেন্ট এলাকা লাগোয়া এই বাফার জোনে এত জনসমাগম হওয়া উচিত নয়। কারন, এখানে অসুস্থরা চিকিৎসা করাতে আসছেন। তাদের করোনায় আক্রান্ত হওবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই আপাতত খোসবাগানের চিকিৎসকদের দূরবর্তী এলাকায় চেম্বার খোলার কথা বলা হচ্ছে। আই এম এর কাছে ইতিমধ্যেই এই অনুরোধ করতে চলেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন।

পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, সুভাষপল্লী এলাকা কন্টেইনমেন্ট জোন। তার ঠিক গায়েই খোসবাগান এলাকায় এত জনসমাগম করা চলবে না। আমরা ডাক্তারদের সংগঠনের কাছে এ ব্যাপারে অনুরোধ জানাচ্ছি। তারপরও ওই এলাকায় ভিড় হলে কেন তা হচ্ছে দেখা হবে। কোন এলাকায় বেশি জনসমাগম হচ্ছে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন। তবে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত অনেকেই। তাঁরা বলছেন, এতোদিন বেশিরভাগ ডাক্তারের চেম্বার বন্ধই ছিল। কিছু ডাক্তার ইদানিং আসছিলেন। সব বন্ধ হলে রোগীদের সমস্যা হবে ঠিকই। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে প্রশাসন।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: May 6, 2020, 5:11 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर