চম্পাহাটির বাজারে এবার ডেয়ারি মিল্ক, হ্যাপি বার্থডে, ক্যাডবেরি বাজির রমরমা

দুর্গাপুজোর রেশ কাটে না কাটতেই চরম ব্যস্ততা চম্পাহাটির হাড়ালের বাজি গ্রামে।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 12, 2019 07:56 PM IST
চম্পাহাটির বাজারে এবার ডেয়ারি মিল্ক, হ্যাপি বার্থডে, ক্যাডবেরি বাজির রমরমা
বাজির গ্রাম চম্পাহাটির হাড়াল, তৈরি হচ্ছে নতুন ধরণের আতসবাজি
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Oct 12, 2019 07:56 PM IST

#চম্পাহাটি: ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ-গুগল বাজি তো ছিলই। দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটির বাজি বাজারে এবার ডেয়ারি মিল্ক, হ্যাপি বার্থডে, ক্যাডবেরি বাজির রমরমা। দুর্গাপুজোর রেশ কাটে না কাটতেই চরম ব্যস্ততা চম্পাহাটির হাড়ালের বাজি গ্রামে।

শব্দের মাত্রা বেঁধে দিয়েছে রাজ্য সরকার। বাজি পোড়াতে হবে ঘড়ি বেঁধে। এমন বাজি পোড়াতে হবে, যাতে দূষণ কম হয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকার পর রাজ্যের অন্যতম বড় বাজির বাজার চম্পাহাটির হাড়ালে চকোলেট বোমার চাহিদা কমেছে। শব্দবাজি ছেড়ে তৈরি হচ্ছে নানা ধরণের আতসবাজি।

দুর্গাপুজো শেষ হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন। হাতে আর মাত্র কয়েকদিন। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার চম্পাহাটির হাড়াল গ্রামে এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে আতসবাজি। কেউ তৈরি করছেন বাজির মশলা। কেউ খোলে মশলা ভরছেন। তুবড়ি, ফুলঝুরি, চরকি, রংমশালের সঙ্গেই তৈরি হচ্ছে ডেয়ারি মিল্ক, হ্যাপি বার্থডে, ক্যাডবেরি বাজি।

অন্য জেলা ও ভিন রাজ্যেও হাড়ালের বাজির কদর রয়েছে। নতুন আতসবাজির টানে অনেকেই এখন ভিড় করছেন গ্রামে।

একটা সময়ে চাষবাষ ও কলকাতায় কাজ করে সংসার চলত। এখন দীপাবলির উৎসবে আতসবাজির আলো হাড়ালের বাসিন্দাদের সংসারে আলো জ্বালায়।

Loading...

First published: 06:40:40 PM Oct 12, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर