corona virus btn
corona virus btn
Loading

মোবাইল ক্যামেরার দাপট, দিঘা-মন্দারমণির বিচ ফটোগ্রাফারদের আয় কমছে, বাড়ছে হতাশা !

মোবাইল ক্যামেরার দাপট, দিঘা-মন্দারমণির বিচ ফটোগ্রাফারদের আয় কমছে, বাড়ছে হতাশা !

দিঘায় আসা পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। তাদের হাতে মোবাইলের সংখ্যাও দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। যা সমস্যা বাড়াচ্ছে দিঘার সি বিচের কর্মরত আদি ফটোগ্রাফারদের। নিজেদের হাতের মোবাইলে যখন নিজেদের ক্যামেরাবন্দী করতে ব্যস্ত পর্যটকেরা, তখন সি বিচ ক্যামেরাম্যানদের কাজ কমছে। কমছে আয়ও ৷

  • Share this:

Sujit Bhowmik

#দিঘা: দিঘায় আসা পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। তাদের হাতে মোবাইলের সংখ্যাও দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। যা সমস্যা বাড়াচ্ছে দিঘার সি বিচের কর্মরত আদি ফটোগ্রাফারদের। নিজেদের হাতের মোবাইলে যখন নিজেদের ক্যামেরাবন্দী করতে ব্যস্ত পর্যটকেরা, তখন সি বিচ ক্যামেরাম্যানদের কাজ কমছে। কমছে আয়ও।

নতুন বছরের শুরু থেকেই ভিড় বাড়ছে দিঘার প্রতিটি সি বিচেই। কিন্তু সর্বত্রই ধরা পড়ল সেই এক ছবি। যেখানে পর্যটকদের হাতে হাতে ঘুরছে নিত্য নতুন দামি অ্যান্ড্রয়েড ফোন। যার মাধ্যমে সেলফি থেকে গ্রুফি, সব ছবিই উঠছে হাতে থাকা মোবাইল ক্যামেরাতেই। যা হতাশ করছে সি বিচের ফটোগ্রাফারদের। এবারেও জানুয়ারির প্রথম দিন থেকেই দিঘায় দেখা যাচ্ছে পর্যটকদের ব্যাপক ভিড়। সেই ভিড় হোটেল মালিকদের পাশাপাশি দিঘা অন্যান্য ছোটো বড় প্রায় সব ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের খুশি করলেও, খুশি করতে পারেনি সমুদ্র শহরের সি বিচ ফটোগ্রাফারদের।

2219_IMG_20200102_233325

আসলে হাতে হাতে নতুন নতুন দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনই এইসব ক্যামেরাম্যানদের আয় কেড়ে নিচ্ছে বলে হতাশার সঙ্গেই বলছেন তারা। বলছেন, ওল্ড এবং নিউ দিঘার সি বিচ জুড়ে কয়েকশো ফটোগ্রাফার ফটো তোলার কাজ করে। তাদের প্রত্যেকের আয়ের একমাত্র উৎসই হল এই ছবি তোলা। পর্যটকদের ছবি তুলে দেওয়ার বিনিময়ে যা অর্থ পান, তার পরিমাণ দিন দিন কমেই চলেছে। কষ্ট বাড়ছে সকলেরই।

2219_IMG_20200102_233225

নতুন বছরে তাদের সকলের প্রার্থনা, মুখ তুলে প্রশাসন তাদের পাশে দাঁড়াক। দিঘার মতোই একই অবস্থা মান্দারমনি, তাজপুর, শংকরপুর- -সহ প্রতিটি সৈকত শহরের সি বিচ ফটোগ্রাফারদের। আসলে সকলের হাতে হাতে স্মার্টফোন। তাই সমুদ্র শহরগুলিতে ক্যামেরাম্যানেরা সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষ উৎসবের দিনগুলিতে ক্যামেরাম্যানেরা বাড়তি আয়ের আশায় থাকে। কিন্তু স্মার্টফোন চলে আসায় সেইভাবে কেউ ক্যামেরাম্যানের ক্যামেরা থেকে ছবি তুলছেন না। বেড়াতে আসা পর্যটকরা নিজেদের স্মার্টফোনের মাধ্যমে সেলফি তুলতেই ব্যস্ত। আগে দিঘার ক্যামেরাম্যানরা প্রতিনিয়ত দেড়শ থেকে দুশো ছবি তুলতেন। আগেও যেই দাম অর্থাৎ কপি পিছু ২০ টাকা এখনও সেই একই দাম রাখা হয়েছে। কিন্তু কপির সংখ্যা ৫০ থেকে ৬০ মধ্যে থাকছে। ফলে উপার্জন হচ্ছে না। তাই সমস্যায় পড়েছেন দিঘা-সহ পর্যটন কেন্দ্র তাজপুর, মন্দারমণি, উদয়পুরের মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলির কয়েকশো ক্যামেরাম্যান। তারা সকলেই বুঝে গিয়েছেন, এই সমস্যা আগামীদিনে আরও বাড়বে।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: January 3, 2020, 7:35 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर