Bengal Women Police: বাংলার মহিলা পুলিশের 'দিদিগিরি', টানটান অভিযানে যোগীরাজ্য থেকে উদ্ধার নাবালিকা!

অসাধারণ সাফল্য

Bengal Women Police: উত্তরপ্রদেশ থেকে ডায়মন্ড হারবার থানার বাসুলডাঙার এক নাবালিকা ছাত্রীকে উদ্ধার করল মহিলা পুলিশ

  • Share this:

    #দক্ষিণ ২৪ পরগনা: পাঁচ মাস নিখোঁজ থাকার পর উত্তর প্রদেশের বাগপথ থেকে ডায়মন্ড হারবার থানার বাসুলডাঙার এক নাবালিকা ছাত্রীকে উদ্ধার করল ডায়মন্ড হারবার মহিলা থানার পুলিশ। গত মার্চ মাসে বাড়ি থেকে স্কুলে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি ডায়মন্ড হারবার গার্লস হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। পরে পরিবারের লোকজন ডায়মন্ড হারবার মহিলা থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে ডায়মন্ড হারবার মহিলা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামে। এরপরই, পুলিশ জানতে পারে উত্তর প্রদেশের এক যুবকের সঙ্গে ওই ছাত্রী ফেসবুকে কথা বলত। সেই সূত্র ধরে জানা যায়, নাবালিকা ছাত্রী উত্তর প্রদেশের বাগপথ এলাকায় রয়েছে। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এস পি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও SDPO মিতুন দে'র সহযোগিতায় ডায়মন্ড হারবার মহিলা থানার ভারপ্রাপ্ত OC পিঙ্কি ঘোষের নেতৃত্বে একটি টিম উত্তর প্রদেশের বাগপথ থেকে নাবালিকা ছাত্রীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত যুবক সাহিন আলভি পলাতক।

    প্রসঙ্গত, মাস খানেক আগেই বীরভূমের নলহাটি থানার তৎপরতায় গুজরাতের সুরাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল নলহাটির এক গৃহবধূকে। বীরভূমের নলহাটি থানার পাইকপাড়া গ্রামের এক তরুনীর সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় নেপালের জলেশ্বর থানার হালখোরি গ্রামের যুবক রাকেশ কুমার পাণ্ডের। ফেসবুকের কথা পরিণতি পায় প্রেমে। তাঁদের মধ্যে গভীর ভালবাসার সম্পর্কও গড়ে ওঠে। রাকেশের সাথে প্রেম চলাকালীনই বছর দেড়েক পরে নলহাটি থানারই লোহাপুর সংলগ্ন বারা গ্রামে ওই তরুণীর এক কৃষক পরিবারে বিয়ে হয়। বিয়ের পরও ফেসবুকের রাকেশের সঙ্গে ভালবাসার সম্পর্ক বজায় রেখেছিল গৃহবধূ।

    গত মে মাসে গৃহবধূ শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়িতে আসে। ২৩ মে সকালে নলহাটিতে বাজার করতে যাওয়ার নামে গৃহবধূ বেরিয়ে যায়। তারপর আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে নলহাটি থানায় নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে। নেপালের যুবক নিজেকে একটি হোটেলের ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল ওই মহিলার সাথে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে জানতে পারে যুবকটি ওই নেপালের একটি হোটেলের সাফাই কর্মী। মাসখানেক পর ওই যুবক গৃহবধূর পরিবারকে ফোনে জানায় ছয় লক্ষ টাকা মুক্তিপণ না দিলে তাদের মেয়েকে বিক্রি করে দেবে। এই ফোন পেয়ে ভেঙে পড়েন গৃহবধূর পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা মোবাইলের ভয়েস রেকর্ড সহ নম্বর পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এরপরেই জেলা পুলিশের তৎপরতায় জরুরিভিত্তিক অপারেশন চালিয়ে পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীর নির্দেশে মোবাইলের সূত্র ধরে নলহাটি থানার পুলিশ বিমানে পাড়ি দেয় ওই যুবকের সন্ধানে। আর সেখানেই মেলে সাফল্য। মোবাইল লোকেশনের সূত্র ধরে গুজরাটের শচিন পুলিশ স্টেশন এলাকার একটি বস্তি থেকে গৃহবধূকে উদ্ধার করে পুলিশ।

    ---রুদ্র নারায়ণ রায়

    Published by:Suman Biswas
    First published: