বর্ধমানে লকডাউন উপেক্ষা করেই রাস্তায় মানুষ, ধরপাকড় শুরু করল পুলিশ 

বর্ধমানে লকডাউন উপেক্ষা করেই রাস্তায় মানুষ, ধরপাকড় শুরু করল পুলিশ 

ধর পাকড় শুরু হতেই শহরে মোটর সাইকেল, চার চাকা গাড়ির সংখ্যা কমেছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: লক ডাউন কার্যকর করতে বর্ধমানের রাস্তায় নামল পুলিশ। বর্ধমান শহরের কার্জন গেট সহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় নেমেছে পুলিশ। তবে অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী ছাড়া অন্য সব দোকান বন্ধ। ভারি যান চলাচল করছে না। ধর পাকড় শুরু হতেই শহরে মোটর সাইকেল, চার চাকা গাড়ির সংখ্যা কমেছে। বেশ কয়েকটি টোটো আটক করে ট্রাফিক পুলিশ। বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের না হওয়ার আবেদন জানিয়ে শহর জুড়ে মাইকিং করে প্রশাসন। শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেটে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বক্ষণ মাইকিং চলে।

লক ডাউনের জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকেই বর্ধমান শহরে ঢোকার রাস্তা কার্যত সিল করে দেয় পুলিশ। তাদের সঙ্গে হাত মেলায় এলাকার বাসিন্দারাও। জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি যেমন দুধ, ডিমের গাড়ি ছাড়া সব মালবাহী ট্রাক ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। বর্ধমানের উল্লাস মোড়, উল্লাস বাসস্ট্যান্ড, নবাবহাট মোড়, বাজে প্রতাপপুর, দেওয়ান দিঘি মোড়ে বর্ধমান শহরে ঢুকতে চাওয়া ট্রাক আটকে দেওয়া হয়। শহরের চায়ের দোকানগুলিও এদিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। বন্ধ ছিল মিষ্টি বা অন্যান্য খাবারের দোকানও। তবে লক ডাউনের আওতার বাইরে থাকায় পেট্রল পাম্পগুলি খোলা ছিল।

তবে ওষুধ, মুদিখানা দোকান, সবজির দোকান ছাড়া অন্য সব দোকানই বর্ধমানে বন্ধ রয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বেরচ্ছেন না বেশিরভাগ বাসিন্দা। তবে লক ডাউন দেখতে অতি উৎসাহীদের কেউ কেউ রাস্তায় মোটর সাইকেল, চার চাকা গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। তাদের ঘরে ঢুকতে বাধ্য করে পুলিশ। বেলা দশটার কার্জনগেটে জি টি রোডের একাংশ ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেয় পুলিশ। সেখানে পথে বেরনো প্রত্যেককে দাঁড় করিয়ে বের হওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হয়। পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক বিজয় ভারতী জানান, রাইস মিল সহ সব কল কারখানা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হাসপাতাল নার্সিংহোমে রোগী নিয়ে যাওয়া ছাড়া কোনও গাড়িই রাস্তায় নামতে পারবে না। এই নির্দেশ অমান্য করলে কড়া শাস্তি এমনকি শাস্তি ভঙ্গকারীর জেল পর্যন্ত হতে পারে।

Saradindu Ghosh

First published: March 24, 2020, 11:45 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर