লাইনচ্যুত মালগাড়ি, বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াল কুরলা-শালিমার এক্সপ্রেস

লাইনচ্যুত মালগাড়ি, বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াল কুরলা-শালিমার এক্সপ্রেস

একটুর জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াল কুরলা-শালিমার এক্সপ্রেস ৷ সরডিহা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ি সিগন্যাল অমান্য করে এগিয়ে যায় ।

  • Share this:

#সরডিহা: একটুর জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়াল কুরলা-শালিমার এক্সপ্রেস ৷ সরডিহা স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ি সিগন্যাল অমান্য করে এগিয়ে যায় । অন্যদিকে, সিগনালের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিল লোকমান্য তিলক ডাউন ১৮০২৯ এক্সপ্রেস ৷ এক্সপ্রেসের জন্য দেওয়া সবুজ সিগন্যাল দেখে মালগাড়ির ড্রাইভার ট্রেন ছেড়ে দেয় ৷ সিগন্যাল নিয়ে বিভ্রান্তির জেরে কিছুদূর গিয়েই লাইনচ্যুত হয় মালগাড়িটি ৷

কুরলা-শালিমার এক্সপ্রেস স্টেশন ছেড়ে না বেরনোয় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে ৷ না হলে মালগাড়ি ও এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ ছিল অনিবার্য ৷ কুরলা এক্সপ্রেসের জন্য দেওয়া সবুজ সংকেতকে মালগাড়ির সংকেত ভেবে এগিয়ে যায় মালগাড়িটি ৷

সিগন্যালের অপেক্ষায় ছিল কুরলা-শালিমার এক্সপ্রেস। সিগন্যাল দেওয়া হয় কুরলা-শালিমার এক্সপ্রেসকে। ৪ নং লাইনে টাটানগরের দিক থেকে খড়গপুরের দিকে আসছিল কুরলা-শালিমার এক্সপ্রেস। মালগাড়ির চালক বুঝতে না পেরে ৩ নং লাইনের সিগন্যাল ভেঙে এগিয়ে যান। কুরলা এক্সপ্রেসের চালক বুঝতে পেরে ৪ নং লাইনে দাঁড়িয়ে যান। সেই কারণেই দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ডিআরএম খড়গপুর রাজকুমার মাঙ্গলা। তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে মালগাড়ির চালকের ভুল বলেই জানা যাচ্ছে। মালগাড়ি দাবি, তার কাজের সময় ১০ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছিল।

যদিও দঃ পূঃ রেলসূত্রে খবর, সকাল ৫টা নাগাদ টাটানগর থেকে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি, তাই তার কাজের সময় ৬ ঘণ্টা হয়েছিল। ওই মালগাড়ি চালককে সাসপেন্ড করা হয়েছে । ঘটনার জেরে কিছুক্ষণ খড়গপুর ও টাটানগরের মধ্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

First published: 12:42:32 PM Mar 06, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर