Home /News /south-bengal /
Child Marriage: 'আমি বাঁচতে চাই-তাই পড়তে চাই', নন্দীগ্রামে দিল্লির নাবালিকার কাতর আর্জি

Child Marriage: 'আমি বাঁচতে চাই-তাই পড়তে চাই', নন্দীগ্রামে দিল্লির নাবালিকার কাতর আর্জি

বিয়ের প্রতিবাদ

বিয়ের প্রতিবাদ

Child Marriage: দিল্লির ওই নাবালিকা নন্দীগ্রামে এসে অভিযোগ জানায়, বাবা-মা জোর করে তাকে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু সে বিয়ে করতে চায় না। কেউ তার কথা না শোনায় সে এখানে পালিয়ে এসেছে।

  • Share this:

#নন্দীগ্রাম: জোর করে বিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে সটান বিডিও অফিসে এসে হাজির এক কিশোরী। বিডিওকে সামনে পেয়েই এক নিঃশ্বাসে সে বলে ফেলে-"আমি পড়াশোনা করতে চাই। বাঁচতে চাই।" বিয়ে নয়, সে চায় পড়াশোনা। একথা বলতে বলতেই নন্দীগ্রাম এক নম্বর বিডিও অফিসে ঢুকে পড়ে সেই কিশোরী। মেয়েটির মুখে হিন্দিতে এমন আকুল আর্তি শুনে বুধবার দুপুরে হঠাৎই হকচকিয়ে গিয়েছিলেন অফিসের লোকজন। পরে তাকে শান্ত করলে জানা যায়, বাবা-মা জোর করে তাকে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু সে বিয়ে করতে চায় না। কেউ তার কথা না শোনায় সে এখানে পালিয়ে এসেছে।

ব্লক প্রশাসন সূত্রের খবর, নাবালিকার বাড়ি দিল্লিতে। বাবা-মা তার বিয়ে ঠিক করেছিল নন্দীগ্রামের এক যুবকের সঙ্গে। ইতিমধ্যেই দুজনের আশীর্বাদ হয়ে গিয়েছে। বিয়ের জন্য দিল্লি থেকে নন্দীগ্রামে নিয়ে আসা হয়েছিল কিশোরীকে। কিন্তু বিয়েতে নারাজ নাবালিকা। দিল্লির একটি স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী এই নাবালিকা। বাবা-মাকে সে জানিয়েছিল, বিয়ে করতে চায় না। পড়তে চায়। কিন্তু বাবা-মা অনড় থাকায় এ দিন সে বিয়ে করবে না বলে তাদের সাফ জানিয়ে দেয়। তখন নাবালিকার মা তাকে বলে, বিয়ে না করলে মরতে হবে। এতেই ভয় পেয়ে যায় ওই কিশোরী।

এরপর সুযোগ বুঝে সে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসা করে পৌঁছে যায় নন্দীগ্রাম থানায়। নাবালিকার কথায়-"থানার বাইরে মানুষজন আমাকে বিডিও অফিসে যেতে বলে।" তার পরিচয় পৌঁছে যায় নন্দীগ্রামে বিডিও অফিসে। বিডিও সুমিতা সেনগুপ্তকে সমস্ত ঘটনা জানায়। পরে ওই নাবালিকা বিডিওর কাছে বাবা-মার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে। বাবা-মায়ের সঙ্গে নন্দীগ্রামের কোথায় সে থাকে তার ঠিকানা জেনেছে প্রশাসন। নন্দীগ্রাম ব্লক অফিস থেকে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এদিন রাতে নন্দীগ্রাম থানার সহযোগিতায় নাবালিকাকে একটি হোমে পাঠানো হয়েছে। বিডিও বলেন, হঠাৎই আমার অফিসে ঢুকে পড়ে ওই নাবালিকা। উর্দ্ধতন আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে নাবালিকাকে একটি হোমেও পাঠানো হয়েছে।

নন্দীগ্রাম ১ ডেভেলপমেন্ট ব্লক-এর তরফে ফেসবুকে লেখা হয়, বয়স আঠারো হয় নি। তাই বলে কি বিয়ে করে ফেলতে হবে। আমি কি এতটাই ফেলনা। নবম শ্রেণীতে পড়া এই ষোড়শী মেয়েটি দিল্লির কোন এক স্কুলে পড়তেন। ভাবতে পারেনি বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে নন্দীগ্রাম এর কোন এক দুর সম্পর্কের আত্মীয়ের বাড়িতে আসা ও সাথে আশীর্বাদ বিয়ে এই সব ঘটনা ঘটে যাওয়া কয়েক ঘন্টার মধ্যেই। এই সব ঘটনা ভাবতেই পারেনি মেয়েটি। হঠাৎই দুপুরে বিডিও চেম্বারে ঢুকে বলছিলেন " আমাকে হেল্প করতে হবে "। মেয়েটি সাহসী। আমরা আশ্বস্ত করেছি পডতে পারবে শিখতে পারবে বাঁচতে পারবে।

Published by:Suman Biswas
First published:

Tags: Child Marriage

পরবর্তী খবর