হোম /খবর /দক্ষিণবঙ্গ /
কয়েকদিনে তিনশো পথকুকুরের মৃত্যু, উদ্বেগ বাড়ছে কালনায়

কয়েকদিনে তিনশো পথকুকুরের মৃত্যু, উদ্বেগ বাড়ছে কালনায়

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

Kalna Stray Dog Death: সরকারি পশু হাসপাতালের চিকিৎসকরাও বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন

  • Share this:

কালনা : গত কয়েকদিনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে অন্তত তিনশো পথ কুকুরের। একের পর এক পথ কুকুরের মৃত্যুর ঘটনায় কালনা শহর জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। গত ১৫ দিনেই অন্তত দেড়শ কুকুরের মৃত্যু হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। কেন এই মৃত্যু তা খতিয়ে দেখছে পশু চিকিৎসক ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন দফতর। সরকারি পশু হাসপাতালের চিকিৎসকরাও বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। অন্যদিকে পশুপ্রেমী সংস্থাগুলি নিজেদের উদ্যোগে কুকুরদের ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শুরু করেছে।

গত কয়েক দিনে কালনা পুরসভা এলাকায় মারা গিয়েছে শতাধিকের ওপর পথকুকুর। মৃত্যুর কারণ জানতে জেলা থেকে প্রাণি সম্পদ দফতরের বিশেষ প্রতিনিধি দল কালনা শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে অসুস্থ পথ কুকুরদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন। সেই সঙ্গে মৃত কুকুরদেরও নমুনা সংগ্রহ করছেন তাঁরা। প্রতিনিধি দলের এক আধিকারিক বলেন, " মৃত্যুর কারণ এবং প্রাথমিক লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে এটি ডিসটেম্পার অসুখ। ভাইরাস ঘটিত রোগ। যা একটি কুকুর থেকে আর একটি কুকুরে ছড়িয়ে পড়ছে।আর সেই কারণেই কুকুরের মৃত্যু ঘটছে।"

কালনা পুরসভার  ভাইস চেয়ারম্যান তপন পোড়েলের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, নভেম্বর মাসেই কালনা শহরের বিভিন্ন এলাকায় তিন শতাধিক পথকুকুর মারা গেছে। পুরসভার তরফ থেকেও সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ওই প্রতিনিধি দলের তরফ থেকেও সমস্ত রকমের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : শহর থেকে ফল সবজির পাইকারি বাজার সরে গেলেও খুশি কাটোয়াবাসীরা

প্রতিদিনই আট থেকে দশটি কুকুরের মৃত্যু হচ্ছিল দিন পনেরো আগে থেকে। এখন দৈনিক সংখ্যাটা আরও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। কালনা শহর এক রকম পথকুকুর শূন্য হতে চলেছে বলা যায়। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সাত, আট, নয়, সতেরো, আঠারো নম্বর ওয়ার্ডে পথ কুকুরের মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। পুরকর্মীরা বলছেন, প্রতিদিন সকালে এলাকায় কুকুর মরে পড়ে থাকার খবর আসছে। সেই মতো সেই মৃত কুকুরগুলিকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন :  দুয়ারে রেশন নিয়ে জটিলতা অব্যাহত, এ বার রিভিউ পিটিশন দাখিলের পথে রেশন ডিলারদের সংগঠন

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রথমে অসুস্থ কুকুরের খিঁচুনি হচ্ছে। এদিক ওদিক ঘোরাঘুরির পর নিথর হয়ে পড়ে থাকছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হচ্ছে। পশুপ্রেমীরা বলছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতো কুকুরকে ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য সরকারি সাহায্য প্রয়োজন।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: Kalna, Stray dogs