Home /News /south-bengal /

Sagardighi Mishap:৩ সন্তান-সহ তরুণীর ‘মরণঝাঁপ’, শিশুকন্যার পর এ বার উদ্ধার মায়ের নিথর দেহ

Sagardighi Mishap:৩ সন্তান-সহ তরুণীর ‘মরণঝাঁপ’, শিশুকন্যার পর এ বার উদ্ধার মায়ের নিথর দেহ

পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়

পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়

Sagardighi Mishap:শনিবার সকাল থেকে নদীতে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি শুরু করে সাগরদিঘি থানার পুলিশ। উদ্ধার হয় রেবিনা খাতুনের নিথর মৃতদেহ।

  • Share this:

সাগরদিঘি : তিন সন্তানকে নিয়ে সাগরদিঘি থানার কাবিলপুর ভাগীরথী নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন মা রেবিনা খাতুন (Sagardighi)। শুক্রবার এক শিশুকন্যার মৃতদেহ নদী থেকে উদ্ধার হলেও নিখোঁজ ছিলেন মা ও তাঁর বাকি দুই সন্তান। শনিবার সকাল থেকে নদীতে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি শুরু করে সাগরদিঘি থানার পুলিশ। উদ্ধার হয় রেবিনা খাতুনের নিথর মৃতদেহ। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় (Murshidabad Death)।

প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক অশান্তির জেরে শুক্রবার তিন সন্তানকে নিয়ে ভাগীরথী নদীতে ঝাঁপ দেয় মা রেবিনা খাতুন। ছেলে জসীম শেখ ৬ বছরের মেয়ে খাদিজা খাতুন ৪ বছরের ও ছোট মেয়ে ১ মাস বয়সি। স্বামী ওবাইদুর রহমান চেন্নাইয়ে রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। সপ্তাহ দু’য়েক আগে বাড়ি ফিরে এসেছেন। বাড়িতে শ্বশুর ও শাশুড়ি রয়েছে। অভিযোগ, শ্বশুর বাড়িতে প্রায় রেবিনার উপর অত্যাচার করা হত। বাবার বাড়ি কাবিলপুর থেকে তৃতীয় সন্তান হওয়ার পর সপ্তাহ দুয়েক আগে শ্বশুর বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। অভিযোগ, স্বামী ওবাইদুর প্রায় প্রতিদিন মদ্যপ অবস্থায় তার উপর শারীরিক অত্যাচার করত। শুক্রবার সকালেও শ্বশুর, শাশুড়ি ও স্বামী মিলে তাকে মরাধর করে বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন: নবাবি ইতিহাসের গন্ধমাখা লালবাগে বর্ষবরণ উপলক্ষে উপচে পড়া ভিড়

জানা গিয়েছে, সন্তানদের নিয়ে এর পর বাপের বাড়ি যাচ্ছেন বলে বেরিয়ে যান রেবিনা। পুলিশের ধারণা, এর পরই সন্তানদের নিয়ে ভাগীরথীতে ঝাঁপ দেন তিনি। যদিও খাদিজা খাতুন নামের এক শিশুকন্যার মৃতদেহ উদ্ধার হলেও নিখোঁজ ছিলেন মা ও দুই সন্তান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। খবরে পেয়ে ছুটে আসেন রেবিনার পরিবারের লোকেরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সাগরদিঘি থানার পুলিশ এসে নদীতে তল্লাশি শুরু করে।

আরও পড়ুন: চড়ুইভাতি থেকে অভয়ারণ্য, বর্ষবরণে আনন্দ হুল্লোড় বর্ধমান শহর জুড়ে

আরও পড়ুন: তালাবন্দি অধ্যক্ষ, হেতমপুর কৃষ্ণচন্দ্র কলেজে ছাত্র বিক্ষোভ

শনিবার সকাল থেকে নদীতে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি শুরু করে সাগরদিঘি থানার পুলিশ। উদ্ধার হন রেবিনা খাতুনের নিথর মৃতদেহ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। আত্মীয় মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘‘বিয়ের পর বাপের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার জন্য চাপ সৃষ্টি করত স্বামী ওবাইদুর রহমান। রেবিনার বাপের বাড়ি থেকে একটি গাড়িও দেওয়া হয়েছিল। সেই অত্যাচারেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় রেবিনা। আমরা চাই পুলিশ তদন্ত করে অভিযুক্ত স্বামী-সহ ওর শ্বশুরবাড়ির লোকদের গ্রেপ্তার করুক।’’

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: Murshidabad, Sagardighi

পরবর্তী খবর