সিরিয়াল দেখার সময় উত্তেজনায় কী কাণ্ড করছেন মা...ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করলেন মেয়ে

সিরিয়াল দেখার সময় উত্তেজনায় কী কাণ্ড করছেন মা...ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করলেন মেয়ে
  • Share this:

#বারাসত: সান্ধ্যকালীন অবসর যাপনের তাগিদে সিরিয়াল বাঙালির ঘরে ঘরে বেশ জনপ্রিয় ৷ সন্ধ্যে হতেই ছোট পর্দাটির সামনে সেঁটে যায় চোখ ৷ দীর্ঘ সময় কেটে যায় পারিবারিক কলহ, সাংসারিক সম্পর্ক, দাম্পত্য, প্রেম, ভালবাসা বা কোনও মহাপুরুষ অথবা কোনও ঠাকুর দেবতার না জানা গল্পকে চাক্ষুষ দেখতে দেখতে ৷ শুধু তাই নয়, সেই সমস্ত গল্পের সঙ্গে মানুষ নিজেদের আবেগ, উত্তেজনা, অনুভূতিকেও সংযুক্ত করে ফেলে ৷ সিরিয়ালের চরিত্ররা হঠাৎ করেই আমাদের কাছে জীবন্ত হয়ে ওঠে ৷ তাঁদের দুঃখ, কষ্ট, রাগ, অভিমান, ভালবাসা সব কিছুকেই নিজের মনে হয় ৷

বারাসতের তৃণা দাস, তেমনই এক ভিডিও পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ৷ তৃণা সঙ্গীতচর্চা করেন ৷ পড়াশোনা করেছেন বারাসত কালিকৃষ্ণ গার্লস হাই স্কুল থেকে ৷ এরপর ইংরাজি ভাষায় স্নাতক হয়েছেন সরোজিনী নাইডু কলেজ থেকে ৷ তাঁর বাড়িতেও প্রতিদিনই সন্ধ্যেবেলায় একের পর এক চলতে থাকে বাংলা সিরিয়াল ৷ তৃণার মা খুব মন দিয়ে সেগুলি দেখেন ৷ শুধু তাই নয়, সিরিয়াল দেখতে দেখতে বেশ উত্তেজিত হয়ে যান তিনি ৷ চেয়ার থেকে প্রায় উঠে গিয়ে পর্দার চরিত্রদের উদ্দেশ্য নানা রকম মন্তব্যও করেন ৷ তৃণা মায়ের সেই ভিডিওটিই শেয়ার করেছেন ফেসবুকে ৷

তিনি লিখেছেন, ‘‘অন্যান্য দিন ভিডিও করতে গেলেই দেখে ফেলে তাই আর করতে পারিনা..... কিন্তু আজ এতটাই এক্সাইটেড হয়েছিল যে এইদিকে নজরই দেয়নি তাই এই সুযোগটা আর হাতছাড়া করিনি.... "শ্রীময়ী" দেখার সময় মা ঠিক কী রকম রিয়্যাকশন দেয় তা আর ভিডিও না করে থাকতেই পারলাম না....আপনারাও দেখুন এক্সাইটমেন্ট লেভেল কোন সীমা ছাড়িয়ে চলে যায় ৷’’

তৃণার এই পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় ৷ ১২০০ কমেন্ট, প্রায় ৩৬০০ ভিউ হয়ে যায় ভিডিওটির ৷ ৬৮০০ রিঅ্যাকশন পেয়েছে ভিডিওটি ৷ কিন্তু অনেকেই এর নিন্দাও করেছেন ৷ অনেকে বলেছেন, ‘‘মায়ের এমন ভিডিও করে পোস্ট করাটা একেবারেই অনুচিত ৷’’ কেউ বলেছেন, ‘‘ঘরের বিষয় এভাবে বাইরে টেনে না আনাই উচিত ৷’’ কেউ বলেছেন, ‘‘দেখে বোঝা যাচ্ছে উন মানসিক ভারসাম্যহীন ৷ তাঁকে এভাবে বেআব্রু করার কোনও দরকার ছিল না ৷’’ আবার কেউ বলেছেন, ‘ওঁনার উচ্ছ্বাস দেখে মনে হচ্ছে, ভদ্রমহিলা ভীষণই সরল, সাদাসিধে প্রকৃতির ৷’’

First published: 12:51:56 PM Dec 30, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर