• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, বর্ধমান হাওড়া শাখায় শুরু হল লোকাল ট্রেন চলাচল, স্বস্তিতে নিত্যযাত্রীরা

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, বর্ধমান হাওড়া শাখায় শুরু হল লোকাল ট্রেন চলাচল, স্বস্তিতে নিত্যযাত্রীরা

 বর্ধমান হাওড়া কর্ড ও মেন এই দুই শাখায় একুশ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।

বর্ধমান হাওড়া কর্ড ও মেন এই দুই শাখায় একুশ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।

বর্ধমান হাওড়া কর্ড ও মেন এই দুই শাখায় একুশ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।

  • Share this:

 #বর্ধমান: যাবতীয় প্রতীক্ষার অবসান। দীর্ঘ সাড়ে সাত মাস পর বর্ধমান হাওড়া কর্ড ও মেন শাখায় লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হলো। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে এতদিন লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছিলেন নিত্যযাত্রী সহ অন্যান্য যাত্রীদের অনেকেই। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি তারা।বুধবার থেকে বর্ধমান হাওড়া কর্ড ও মেন এই দুই শাখায় একুশ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।এছাড়াও বর্ধমানের ওপর দিয়ে বলগোনা হয়ে কাটোয়া পর্যন্ত ও হাওড়া কাটোয়া শাখায় লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি সংশ্লিষ্ট এলাকার যাত্রীরা।

যাত্রীরা বলছেন,লকডাউন ও করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে লোকাল ট্রেন চলাচল এতদিন বন্ধ থাকায় কাজের প্রয়োজনে বাসে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে যাতায়াত করতে হচ্ছিল। তাতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি ছিল। পর্যাপ্ত বাস ছিল না। তাছাড়া প্রতিদিন বাসে দীর্ঘ পথ যাতায়াত করা সম্ভব হয়ে উঠছিল না। দুর্ভোগে নাজেহাল হতে হচ্ছিল। তার ওপর আবার বাসের ভাড়াও তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। সব মিলিয়ে লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন বহু যাত্রী।

বর্ধমানের বাসিন্দা রতন দাস ছোট ব্যবসায়ী। সকাল সাতটা বাইশের হাওড়া লোকালে উঠেছিলেন তিনি। জানালেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ব্যবসার সামগ্রী কলকাতার বড় বাজার থেকে আনা যাচ্ছিল না। গাড়ি ভাড়া করে ব্যবসা জিনিস আনার খরচ অনেক বেশি। জিনিসপত্রের অভাবে দোকান বন্ধ হবার যোগাড় হয়ে উঠেছিল। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ায় খুবই সুবিধা হল।

খণ্ডঘোষের বাসিন্দা মৌমিতা দাস কলকাতায় বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। জানালেন, এক ঘন্টা বাসে এসে ট্রেন ধরেছেন তিনি।এতদিন বর্ধমানে বাসে এসে ফের বাস ধরে কলকাতায় যেতে হচ্ছিল। বললেন, যা বেতন পাই তার বেশির ভাগটাই বাস ভাড়া মেটাতেই শেষ হয়ে যাচ্ছিল। চাকরি বাঁচাতে সেভাবেই যাতায়াত করতে হচ্ছিল। আশায় ছিলাম, একদিন আবার ট্রেন চলাচল শুরু হবে। অবশেষে সেই দিন ফিরে আসায় ভালো লাগছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: