সোনারপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতি, বাড়িতে ঢুকে মহিলাকে বেঁধে রেখে লুঠপাট

সোনারপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতি, বাড়িতে ঢুকে মহিলাকে বেঁধে রেখে লুঠপাট

সোনারপুরে দুঃসাহসিক ডাকাতি ৷ বাড়িতে ঢুকে মহিলাকে বেঁধে রেখে লুঠপাট চালায় দুষ্কৃতীরা ৷

  • Share this:

#সোনারপুর: প্রথমে মাথায় আঘাত । গৃহকর্ত্রী অজ্ঞান হয়ে গেলে তাঁর হাত-পা-মুখ বেধে চলে অবাধে লুঠপাট । লুঠ সোনার গয়না, নগদ টাকা। মুখোশ-পরা দুই দুষ্কৃতীর এই কাণ্ডে হতবাক প্রতিবেশিরা। সোনারপুরের কালীবাজার পিয়ারাবাগান গ্রামের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায় । ঘটনায় পরিচিত কেউ-ই জড়িত বলে অনুমান আক্রান্ত অঞ্জনা দে-র পরিবারের। তাঁদের ভাড়াটিয়াকে গতকাল রাতে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

লুঠপাটে কী জড়িত পরিচিতরাই? সোনারপুরের ডাকাতির ঘটনায় উঠে আসছে এমনই সম্ভাবনার কথা। ভাড়াটিয়া বাবলু হালদারের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন ।

সোনারপুরের পিয়ারাবাগানে ইস্ত্রি করার কাজ করেন সত্যনারায়ণ দে। বেশিরভাগ সময়ে বাড়িতে একাই থাকেন স্ত্রী অঞ্জনা ও ক্লাস ১২-য়ে পড়া মেয়ে।

মঙ্গলবারও বাড়িতে একাই ছিলেন অঞ্জনা। সন্ধে দিতে ঘরে ঢুকতেই পিছন থেকে মাথায় সজোরে আঘাত করে কেউ । পিছনে ফিরে মুখোশে মুখ ঢাকা দুজনকে দেখতে পান তিনি। তারপরই জ্ঞান হারান। কোচিং করে বাড়ি ফিরে মাকে মুখ, হাত-পা বাধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে মেয়ে।

আলমারি খোলা। সমস্ত জিনিসপত্র লণ্ডভণ্ড। উধাও মেয়ের বিয়ের জন্য জমিয়ে রাখা সোনার গয়না ও নগদ প্রায় ত্রিশ হাজার টাকা ।

তদন্তে নামে সোনারপুর থানা। সামনে আসে নয়া তত্ত্ব । চেনা -পরিচিত কেউ-ই এই কাজে জড়িত বলে মনে করেন অঞ্জনার স্বামী সত্যনারায়ণ দে। তাঁর দাবি,

-- দুষ্কৃতীরা জানত সন্ধেবেলায় একা থাকেন অঞ্জনা

--সেই সময়েই হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা

---আলমারির চাবি কোথায় থাকে তাও জানত তারা

---দেওয়ালের গায়ে ঝোলানো ঝুড়ির মধ্যে থেকে চাবি নিয়ে আলমারি খোলে তারা

--চিনে ফেলার ভয়ে মুখোশ পড়ে আসে দুই দুষ্কৃতী

ভাড়াটিয়া বাবলু হালদারের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন । কয়েকদিন বাড়িছাড়া থাকার পর মঙ্গলবারই ফেরেন বাবলু। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। বুধবার সকাল থেকে ফের তালাবন্ধ ভাড়াটিয়াদের ঘর।

ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। তদন্তে নেমে সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

First published: 12:03:44 PM Jun 14, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर