corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্বর্ণ ঋণদানকারী সংস্থায় লুট, দিনে দুপুরে প্রকাশ্যেই চলল দুষ্কৃতীদের গুলি

স্বর্ণ ঋণদানকারী সংস্থায় লুট, দিনে দুপুরে প্রকাশ্যেই চলল দুষ্কৃতীদের গুলি

শহর থেকে বাইরে বেরোনোর রাস্তা সিল করে দেওয়া হয়েছে। জেলার সীমানা এলাকাগুলোতে নাকা চেকিংয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: অর্থলগ্নি সংস্থাতে লুট করে পালানোর সময়ই গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তাতেই গুরুতর জখম হন এক ব্যক্তি। বর্ধমানে দিনে দুপুরে এই লুটের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানা থেকে কিছুটা দূরেই এমন লুটের ঘটনা ঘটায় স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে পড়েছে পুলিশ। ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানান,দুষ্কৃতীদের হদিশ পেতে সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শহর থেকে বাইরে বেরোনোর রাস্তা সিল করে দেওয়া হয়েছে। জেলার সীমানা এলাকাগুলোতে নাকা চেকিংয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা চলছে। সেই সব ফুটেজ দেখে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালানো হবে।

বর্ধমান থানার কিছুটা দূরেই বিসি রোড কালীতলা এলাকায় রাস্তার ওপরেই এই অর্থলগ্নি সংস্থা। সোনার বদলে অর্থলগ্নি করে তারা। জানা গিয়েছে, এদিন একটা নাগাদ দুষ্কৃতী ওই অর্থলগ্নি সংস্থায় ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে খুন করার ভয় দেখিয়ে লুটপাট চালায়। এরপরই তারা সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় গুলি চালায়। তাতেই হীরামন মন্ডল নামে এক ব্যক্তি গুরুতর জখম হন। ওই সংস্থার এক কর্মী জানান, দুষ্কৃতীরা দলে ছ সাত জন ছিল। প্রত্যেকের হাতেই আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। মারধর করে তারা। প্রাণের ভয়ে কেউ বাধা দেওয়ার সাহস পায়নি। সবাইকে এক জায়গায় আটকে রেখে আধঘন্টা ধরে লুটপাট চালায় তারা। অনেক সোনাই তারা লুট করে নিয়ে গিয়েছে। পালানোর সময় সিঁড়িতে গুলি চালায় তারা।

হীরামন মন্ডলের পিঠে পাঁজরের উপর গুলি লাগে। সেই সঙ্গে তাঁর মাথাতেও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। তিনি আহত অবস্থায় রাস্তার ধারে বসে পড়েন। এরপর পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। সেখানে জখম হীরামন বলেন, তিনি বর্ধমানের সরাইটিকর এলাকার বাসিন্দা। কিছুদিন আগে তিনি এই অর্থলগ্নি সংস্থার নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি টোটো চালান। তাঁর এক বন্ধুর সোনা ফেরতের বিষয় ছিল। তিনি সেই কাজে এই সংস্থায় ঢুকছিলেন।

তিনি বলেন, সিড়ি দিয়ে উঠছিলাম। হঠাৎই দেখি দু জন খুব দ্রুতগতিতে নেমে আসছে। আমাকে দেখেই তারা গুলি চালায়। আমার মাথাতেও বন্দুক দিয়ে আঘাত করে। তারা হিন্দিতে কথা বলছিল।তদন্তকারী এক পুলিশ অফিসার বলেন, দুষ্কৃতীরা হয়তো বেশ কিছুদিন ধরেই এই অর্থলগ্নি সংস্থার ওপর নজর রেখেছিল। ,জখম ব্যক্তিকে সিকিউরিটি গার্ড ভেবেই তারা গুলি চালিয়ে থাকতে পারে। এরপর তারা মোটর সাইকেলে দ্রুত এলাকা ছাড়ে। তদন্তে সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: July 17, 2020, 6:12 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर