corona virus btn
corona virus btn
Loading

ধ্বংসের মধ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু, ত্রাণ বিলি চালু হল কাকদ্বীপ, নামখানায়  

ধ্বংসের মধ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু, ত্রাণ বিলি চালু হল কাকদ্বীপ, নামখানায়  

কাকদ্বীপ থেকে বকখালি, এখন একটাই চিন্তা এই ধ্বংসের মধ্যে থেকে ঘুরে দাঁড়াব কী করে?

  • Share this:

#কাকদ্বীপ: বাড়ি ফেরা কবে জানে না বৈশাখী, শম্পা, চন্দন'রা। জানে একটা দমকা হাওয়া শেষ করে দিয়েছে সব কিছু। পাসবুক থেকে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট বা আধার সব কিছুই জলে ভিজে শেষ। শেষের মাঝেও শুরু করতে প্রস্তুত সুন্দরবনের মানুষ। তবে নামখানা থেকে পাথরপ্রতিমা। কাকদ্বীপ থেকে বকখালি, এখন একটাই চিন্তা এই ধ্বংসের মধ্যে থেকে ঘুরে দাঁড়াব কী করে?

যদিও ভোরের আলো ফোটার পর থেকে রাস্তায় নেমেছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। দফায় দফায় বৈঠক আর ত্রাণ বিলি কাজ করছেন তারা। নামখানা ব্রিজের পাশেই রয়েছে বিডিও অফিস। সকাল থেকেই সেখানে লম্বা লাইন মানুষের। কাদা জলে মাখামাখি করা শরীর দাঁড়িয়ে রয়েছে একে অপরের গা ঘেঁষে। সেখানেই চলছে ত্রাণ বিলি। মাথা বাঁচানোর জন্যে ত্রিপল। পেট চালানোর জন্য চাল, ডাল, আলু মিলছে। আর খাবার জল দেওয়া হচ্ছে প্যাকেটে করে। আপাতত সেটাই ভরসা সুন্দরবনের মানুষের। এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক পি উলগনাথন ও সুন্দরবন জেলা পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি নামখানা সহ একাধিক জায়গায় পরিদর্শন করেছেন। তবে জেলা প্রশাসন স্বীকার করে নিয়েছে টেলিফোনে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। একাধিক জায়গায় জায়গায় রাস্তায় বড় বড় গাছ পড়ে আছে। ফলে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌছন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ এখন জেলা প্রশাসনের কাছে।

সুন্দরবন জেলা পুলিশ সুপার বৈভব তিওয়ারি জানিয়েছেন, "বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বেশ কিছু জায়গায় আর টি সেট মারফত যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু বহু জায়গায় যোগাযোগ করা যায়নি। মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে খবর পেতে সমস্যা হচ্ছে। তবে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।" একাধিক জায়গায় বিডিও'রা নিজে থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পৌছনোর চেষ্টা করেছেন। আবহাওয়া খারাপ হওয়ার কারণে তাদেরও ফেরত আসতে হয়েছে। সুন্দরবন এলাকার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে এদিন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী মন্টুরাম পাখিরা, সভাধিপতি শামিমা শেখ সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা কয়েক দফা বৈঠক করেন। এদিন জেলাশাসক পি উলগানাথন জানিয়েছেন, " বহু জায়গায় আমাদের আধিকারিকরা চেষ্টা করছেন পৌছতে।

দ্বীপগুলিতে পৌছনো আমাদের কাছে অন্যতম চ্যালেঞ্জ। আশা করছি সেটা হয়ে যাবে।" সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ৬ লক্ষ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৪ লক্ষ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ২ লক্ষ মৎস্যজীবীর সামগ্রী নষ্ট হয়েছে। তবে বিভিন্ন ব্লক থেকে সম্পূর্ণ রিপোর্ট না আসায় ক্ষতির পরিমাণ বিস্তারিত জানা যাচ্ছে না। এখন বিভিন্ন জায়গায় চালু করা হয়েছে কমিউনিটি কিচেন। আপাতত সেখানেই খাবার দেওয়া হবে। তবে বেশ কিছু জায়গায় গ্রামবাসীদের অভিযোগ তারা কোনও ত্রাণ পাননি।

Abir Ghoshal

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: May 21, 2020, 4:49 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर