Home /News /south-bengal /
বাংলায় ঢুকে পড়ল আমফান, মন্তেশ্বর বাজারে গাছ ভেঙে পড়ে আহত ৩

বাংলায় ঢুকে পড়ল আমফান, মন্তেশ্বর বাজারে গাছ ভেঙে পড়ে আহত ৩

পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত আরও ১ মহিলা

পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত আরও ১ মহিলা

আহতদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: আমফানের জেরে অশ্বত্থ গাছ ভেঙে পড়ে গুরুতর আহত হলেন ৩ জন। আহতদের মধ্যে ২ জন মহিলা। বুধবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর বাজারে এই ঘটনা ঘটেছে। আহতদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঝড় শুরু হতেই গাছের তলায় আশ্রয় নিয়েছিলেন অনেকেই। সে সময়ে ঝড়ের দাপটে গাছের একটা বড় অংশ ভেঙে পড়ে। বাজারে সে সময় উপস্থিত অন্যান্য ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা ছুটে এসে গাছের ডাল সরিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। পুলিশের সাহায্য নিয়ে তারাই আহতদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

আমফানের জেরে বড় গাছ ভেঙে পড়েছে অনেক এলাকাতেই। শুধু মন্তেশ্বর নয়, কালনা পূর্বস্থলী, মেমারী, রায়না, খণ্ডঘোষের অনেক এলাকাতেই গাছ ভেঙে পড়ে রাস্তা বদ্ধ হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ভরসায় না থেকে বাসিন্দারা কাটারি, কুড়ুল নিয়ে রাস্তা থেকে গাছ সরানোর কাজে হাত লাগিয়েছেন। অনেক এলাকাতেই গাছ পড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে। অনেক এলাকায় ঝড়ে বিদ্যুতের খুঁটিও হেলে পড়েছে। গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অনেক এলাকাতেই। ভাতারের বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। বিদ্যুত নেই মেমারি, জামালপুরের অনেক এলাকাতেও।

বিকেলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝড় আরও কয়েক ঘন্টা স্হায়ী হবে। বৃষ্টিপাতের পরিমানও বাড়বে। কোথায় কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা ব্লকগুলির কাছে সব সময় জানতে চাওয়া হচ্ছে। জেলার পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্দিষ্ট সময় অন্তর রাজ্যকে অবহিত করা হচ্ছে। এক আধিকারিক জানান, কিছু বাড়ির চাল উড়ে গিয়েছে। আংশিক ক্ষতি হয়েছে বেশ কিছু বাড়ির। তবে রিপোর্ট এলে বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির পরিষ্কার চিত্র মিলবে। রাজ্য বাসিন্দাদের আগাম সতর্ক করায় এদিন জেলা সদর বর্ধমান-সহ কালনা, কাটোয়া, মেমারি, জামালপুরে দোকানপাট বন্ধ ছিল। বাজারেও ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উপস্থিতি কম ছিল। বেশির ভাগ বাসিন্দাই গৃহবন্দি রয়েছেন। দুর্যোগ না মেটা পর্যন্ত তাঁদের ঘরে থাকারই পরামর্শ দিচ্ছে প্রশাসন।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published:

Tags: Bardhaman, Cyclone Amphan, Super Cyclone

পরবর্তী খবর