দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

সপ্তাহান্তে উধাও বাস, দুর্ভোগে পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দারা

সপ্তাহান্তে উধাও বাস, দুর্ভোগে পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দারা

সপ্তাহান্তে জেলার বিভিন্ন রুট থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে বেসরকারি বাস। ফলে দুর্ভোগে নাজেহাল পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দারা

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: সপ্তাহান্তে জেলার বিভিন্ন রুট থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে বেসরকারি বাস। ফলে দুর্ভোগে নাজেহাল পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, লকডাউনের পর জেলায় বাস চলাচল শুরু হলেও অনেক রুটেই মোটের ওপর কম বাস চলাচল করছে। তার ওপর শনি ও রবিবার বাস চলছে একেবারেই কম। ফলে বাসের প্রত্যাশায় দীর্ঘ অপেক্ষায় থেকে বাস না পেয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। যাত্রী না হওয়ার কারণেই বাস কম চলছে বলে মেনে নিচ্ছেন বেসরকারি বাস মালিকরা।

ভোর থেকে রাত পর্যন্ত বর্ধমান আরামবাগ রুটে অন্যান্য সময় প্রচুর বাস চলাচল করে। লকডাউনের পর সেই বাসের সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। একইভাবে বাস কমেছে বর্ধমান তারকেশ্বর রুটেও। বর্ধমান কালনা, বর্ধমান কাটোয়া রুটেও তুলনামূলক কম বাস চলছে। তার ওপর শনি ও রবিবার সরকারি ছুটির দিনে বাসের দেখা প্রায় মিলছে না বললেই চলে। অনেক ছোট রুটে এই দুদিন বাস চলছে হাতেগোনা কয়েকটি। ফলে বাস ধরতে ঘর থেকে বেরিয়ে বাসের দেখা না পেয়ে বিভ্রান্ত হতে হচ্ছে যাত্রীদের।

রায়নার বাসিন্দা প্রশান্ত ঘোষ বললেন, '' কয়েক দিন ধরেই দেখছি বর্ধমান তারকেশ্বর রুটের একটি বাস সকালের দিকে তারকেশ্বরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছে। কাজের প্রয়োজনে সেই সময় বাসস্ট্যান্ডে এসে দাঁড়িয়েছিলাম। দীর্ঘ অপেক্ষার পর জানলাম, শনি-রবিবার ওই বাস চলবে না। তাই বিশেষ প্রয়োজনে ঘর থেকে বেরিয়েও সেই কাজ না করে বাড়ি ফিরতে বাধ্য হচ্ছি।''

এই বিষয়ে বর্ধমানের বেসরকারি বাস মালিকরা বলছেন, এমনিতেই করোনার আবহে বাসিন্দারা এলাকার বাইরে কম বের হচ্ছেন। অনেকে বাস এড়িয়ে মোটর সাইকেলে কাজ সারছেন। সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত তবু কিছু যাত্রী মিললেও শনি ও রবিবার ফাঁকা বাস নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম আকাশছোঁয়া। তার ওপর চালক কর্মীদের বেতন-সহ নানান খরচ রয়েছে। কিন্তু রাস্তায় বাস নামিয়ে  যাত্রী না মেলায় লোকসানের বহর বেড়েই চলেছে। সেই কারণেই শনি ও রবিবার সরকারি ছুটির দিনে অনেক বাসই রাস্তায় নামছে না। হাতেগোনা যে ক'টি বাস চলছে তাতেও নামমাত্র সংখ্যায় যাত্রী মেলায়  হতাশ হতে হচ্ছে।

বাস চালক ও কর্মীরা বলছেন,  পঞ্চাশ ষাট কিলোমিটার দীর্ঘ রুটে বাস চালিয়ে খরচ ওঠা দূরে থাক, জল-খাবারের খরচটুকুও আসছে না। এমনিতেই স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় যাত্রী কম। তাই কাজের দিন অফিস টাইমেই বাস ফাঁকা থাকছে।

SARADINDU GHOSH

Published by: Rukmini Mazumder
First published: June 27, 2020, 7:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर