ট্রেনে বাসে হাতল ধরছেন ! তবে করোনা থেকে সাবধান থাকুন

ট্রেনে বাসে হাতল ধরছেন ! তবে করোনা থেকে সাবধান থাকুন

ভালোভাবে হাত না ধুয়ে খাবার খেলে বা মুখে হাত দিলে ভাইরাস শরীরে ঢুকতেই পারে।

  • Share this:

#বর্ধমান: ট্রেনের হাতল ধরছেন। কিংবা ভিড় বাসে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ওপরের হাতল ধরে। এরপর কর্মক্ষেত্র বা বাড়ি গিয়ে ভাল করে হাত ধুচ্ছেন তো! না ধুলে কিন্তু করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থেকেই যাচ্ছে। এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা বলছেন, হাওয়ায় নয়, করোনা ছড়াচ্ছে সারফেস থেকেই। তাই ভালোভাবে হাত ধোয়া বিশেষ জরুরি। ভালোভাবে হাত না ধুয়ে খাবার খেলে বা মুখে হাত দিলে ভাইরাস শরীরে ঢুকতেই পারে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে কাজে বেরতে হচ্ছে অনেককেই। উঠতেও হচ্ছে ট্রেনে। সেই ট্রেনে গা ঘেঁষে বসছেন অন্য যাত্রীদের সঙ্গে। কিংবা সিট না পেয়ে দাঁড়ালেন আসন বা হাতল ধরে। আপনার অজান্তেই হাতে চলে এলো ভাইরাস। একই আশংকা থাকছে বাসেও। বাসের সিট, রড, হ্যান্ডেল যে জিনিসই স্পর্শ করুন না কেন ভাইরাস আপনার সংস্পর্শে আসতেই পারে। আপনার পোশাকেও জায়গা করে নিতে পারে করোনা ভাইরাস। তাই সাবধান থাকুন। বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের পরামর্শ, আপাতত বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ভিড় এড়িয়ে চলুন। চিকিৎসকরা বলছেন, বাইরের পোশাক পরে কখনোই শোয়ার ঘরে প্রবেশ করবেন না। আদরের ছোট্ট শিশুটি যেন আপনার কোলে তক্ষুনি ঝাঁপিয়ে না পড়ে তা নিশ্চিত করুন। বাড়ি ফিরে আগে পোশাক বদলে নিন। বাইরের পোশাক অন্য পোশাকের সঙ্গে না মিশিয়ে ওয়াশিং পাউডার দিয়ে ধুয়ে ফেলাই ভালো। তা সরাসরি ঢুকিয়ে দিন ওয়াশিং মেশিনে। এরপর হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে তারপরই বাড়ির অন্যান্যদের কাছে যান বা খাবার মুখে তুলুন। অফিস বা কর্মক্ষেত্রে গেলে আগে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন। তারপর অন্য কাজ করুন। প্রয়োজনে ব্যাগে সাবান বা লিকুইড সোপ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ক্যারি করুন।মারন ভাইরাসকে দূরে রাখতে এটুকু সাবধানতা গ্রহণ করা এখন বিশেষ জরুরি।

ডাক্তাররা বলছেন, ট্রেন বা বাসের সিট, হাতলে হাত পড়েই যায়। সেই হাতেই আবার অনেকে কাটা শশা, চিপস, বিস্কুট মুখে দিচ্ছেন। সেসব থেকে সাবধান থাকাই দরকার। এই সাবধানতা সব সময়ই গ্রহণ করা জরুরি। সেই সঙ্গে বাইরে বেরুলে এখন মাস্কে মুখ ঢাকাই ভালো। পাশের ব্যক্তির হাঁচি কাশি থেকে করোনা ভাইরাস ছড়ালে মাস্ক তা শরীরে ঢোকা আটকাবে। তবে সাধারণ মাস্ক নির্দিষ্ট সময় অন্তর বদলে ফেলাও দরকার বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

Saradindu Ghosh

First published: March 17, 2020, 1:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर