corona virus btn
corona virus btn
Loading

পূর্ব বর্ধমান জেলাকে দৈনিক করোনা পরীক্ষা দ্বিগুণ করার নির্দেশ রাজ্যের

পূর্ব বর্ধমান জেলাকে দৈনিক করোনা পরীক্ষা দ্বিগুণ করার নির্দেশ রাজ্যের

ব্লকগুলিতেও অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হয়েছে। যত বেশি সম্ভব পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় করোনার পরীক্ষা বাড়ানোর নির্দেশ দিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। প্রতিদিন এক হাজার করে পরীক্ষা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এই জেলায় অনেক কম পরীক্ষা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছিল। পরীক্ষা বাড়ালে দ্রুত করোনা আক্রান্তদের চিহ্নিত করে তাদের চিকিৎসার আওতায় আনা যাবে বলে জানাচ্ছিলেন বিশেষজ্ঞরা। বর্ধমান শহর সহ জেলা জুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকায় এবার এই জেলাকে পরীক্ষা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর  সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে পরীক্ষা বাড়ানোর ব্যাপারে তৎপরতা বাড়িয়েছে জেলা প্রশাসন।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় গড়ে সাড়ে চারশো পাঁচশো নমুনার পরীক্ষা হচ্ছিল। এবার  দৈনিক এক হাজার জনের  নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নমুনা সংগ্রহ করা গেলেও তা পরীক্ষা করার মত পরিকাঠামো এই জেলায় নেই বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বর্ধমান মেডিকেল কলেজে আর টি পিসি আর মেশিনে করোনার নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে। কিন্তু সেখানে দিনে সাড়ে চারশ বেশি পরীক্ষা করার সম্ভব নয় বলে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরকে জানায় জেলা প্রশাসন। এরপরই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পাশাপাশি নাইসেড এবং  এনআরএস হাসপাতালে নমুনা পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই মতো নমুনা পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, লালা রসের পরীক্ষা করার পরিকাঠামো কম থাকায় এবং তার ফল পেতে অনেক দেরি হওয়ায় মূলত অ্যান্টিজেন টেস্টের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পনেরো দিনের জন্য প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট কিট চাওয়া হয়েছিল। রাজ্যের কাছ থেকে ইতিমধ্যেই তিন হাজার সেই কিট এসে পৌঁছেছে। সেই কিট দিয়েই শুরু হয়েছে পরীক্ষা। কন্টেইনমেন্ট জোনএলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি কালনা কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালেও টেস্ট হচ্ছে। এছাড়াও ব্লকগুলিতেও অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু হয়েছে। যত বেশি সম্ভব পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পরীক্ষা না হলে কার দেহে সংক্রমণ রয়েছে তা বোঝা সম্ভব নয়। তাই এই মুহূর্তে পরীক্ষা বাড়িয়ে আক্রান্তদের চিহ্নিত করে আলাদা করা গেলে তাদের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা কমে যাবে। একইভাবে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার আওতায় এনে তাদের সুস্থ করে তোলা সম্ভব হবে।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: August 7, 2020, 5:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर