corona virus btn
corona virus btn
Loading

দিনের দিন-ই করোনার সব নমুনা পরীক্ষা সম্ভব হচ্ছে না পূর্ব বর্ধমানে, বাড়ছে বকেয়ার সংখ্যা

দিনের দিন-ই করোনার সব নমুনা পরীক্ষা সম্ভব হচ্ছে না পূর্ব বর্ধমানে, বাড়ছে বকেয়ার সংখ্যা

করোনা পরীক্ষার জন্য শয়ে শয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে রোজই। কিন্তু দিনের দিন-ই সব নমুনার পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।ফলে পূর্ব বর্ধমান জেলায় দিন দিন বাড়ছে পরীক্ষা না হওয়া নমুনার সংখ্যা

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: করোনা পরীক্ষার জন্য শয়ে শয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে রোজই। কিন্তু দিনের দিন-ই সব নমুনার পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না।ফলে পূর্ব বর্ধমান জেলায় দিন দিন বাড়ছে পরীক্ষা না হওয়া নমুনার সংখ্যা।পরীক্ষা না হওয়ায় রিপোর্ট আসতেও অনেক দেরি হচ্ছে। কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলিতে ভিড় বাড়ছে ভিন রাজ্য থেকে আসা বাসিন্দাদের! রিপোর্ট  না আসায় তাঁদের অনেককেই বাড়িতে পাঠানো যাচ্ছে না... সবমিলিয়ে চিন্তিত পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় মোট ৭১৭৪ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তার মধ্যে ৪২৪৩ টি  নমুনার  রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। পজেটিভ এসেছে ৯ টি রিপোর্ট। ২৯২২টি নমুনা পরীক্ষা বাকি রয়েছে। জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানান, জেলাজুড়ে যে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে কলকাতার আর জি কর হাসপাতাল, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও দুর্গাপুরের সনকা হাসপাতালে। প্রতিটি হাসপাতালে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক নমুনা পরীক্ষা করার পরিকাঠামো রয়েছে। তার বেশি নমুনা পাঠানো হলে তার পরীক্ষা বকেয়া থেকে যাচ্ছে।

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৫২ টি নমুনা পরীক্ষা বকেয়া রয়েছে। কালনা মহকুমা হাসপাতালে ৪৯৮ টি নমুনা, কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ৪২৩ টি নমুনা, বর্ধমান কৃষি ভবনে ৪৮২ টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট  বকেয়া রয়েছে। বর্ধমানের ক্যামরি প্রি-কোভিড হাসপাতালের ৭৮ টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও আসেনি।  ভাতারের ৩১০ টি নমুনা, মেমারি একের ১৯৩ টি নমুনা, গলসি একের ২০৭ টি নমুনা, রায়না দুইয়ের ১৭৯ টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও আসেনি।

জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, এখন প্রতিদিনই বিভিন্ন ট্রেনে হাজারে হাজারে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাসিন্দারা আসছেন। তাঁদের প্রত্যেককেই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে গিয়ে লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। অনেককে কোয়ারান্টিন সেন্টারে রেখে রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। যাদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসছে তাদের ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হচ্ছে। কিন্তু অনেকের রিপোর্ট না আসায় সমস্যা হচ্ছে। তাঁদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রেখে দিতে হচ্ছে। ভিড় বাড়ছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। এখন তাঁদের মধ্যে কেউ করোনা সংক্রমণ বহন করলে তারঁ মাধ্যমে বাকিদেরও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকছে।

Saradindu Ghosh

Published by: Rukmini Mazumder
First published: May 23, 2020, 1:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर