Home /News /south-bengal /

আক্রান্ত ৫২১, মৃত ২৫ ! বর্ধমান শহরের করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ ! চিন্তায় প্রশাসন

আক্রান্ত ৫২১, মৃত ২৫ ! বর্ধমান শহরের করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ ! চিন্তায় প্রশাসন

জেলায় করোনা আক্রান্তের ২৮ শতাংশই বর্ধমান শহর এলাকার বাসিন্দা। বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন এই তথ্য জানিয়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান:  করোনা সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি বর্ধমান শহরে। এই শহরে এদিন পর্যন্ত ৫২১জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২৫জনের। জেলায় করোনা আক্রান্তের ২৮ শতাংশই বর্ধমান শহর এলাকার বাসিন্দা। বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন এই তথ্য জানিয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক বিজয় ভারতী জানান, অতিরিক্ত জেলা শাসক, মহকুমা শাসক ও স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে এই জেলার করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছিল। তাতে দেখা যাচ্ছে জেলার মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক অবস্থা বর্ধমান শহরের। এই শহরের রিকভারি রেটও  খুবই খারাপ। শহরে ৫২১ জন আক্রান্তের মধ্যে মাত্র ১৬০ জন আরোগ্য লাভ করেছেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, করোনা থেকে আরোগ্য লাভের ক্ষেত্রে এগিয়ে বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কাটোয়া মহকুমা। আরোগ্যের নিরিখে মহকুমাগুলির মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বর্ধমান সদর দক্ষিণ মহাকুমা। সর্বশেষ স্থানে রয়েছে কালনা মহকুমা। আরোগ্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে ভাতার ব্লক। এই ব্লকে করোনা মুক্তির হার ৯০ শতাংশ। এই ব্লকের একদিনে প্রায় ৪০ জনের  কাছাকাছি বাসিন্দা আক্রান্ত হলেও তারপর থেকে এই ব্লকে তেমন আক্রান্তের হদিশ মেলেনি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কাটোয়া পৌরসভা এলাকা। সেখানেও রিকভারি রেট ৮০ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে জামালপুর ব্লক। সেখানে আরোগ্যের হার ৭৫ শতাংশের ওপরে।

জেলায় সার্বিক  রিকভারি রেট ৭৫ শতাংশ।  তবে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বর্ধমান শহরের। খারাপের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে খণ্ডঘোষ ব্লক। সেখানে ৪৫ জন আক্রান্তের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন ১৪জন। খারাপ দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মেমারি এক নম্বর ব্লক। সেখানে  ৭১ জন আক্রান্তের মধ্যে ২৫  জন আরোগ্য লাভ করেছেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বর্ধমান শহর সহ কয়েকটি ব্লকে করোনার সংক্রমণ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই সব এলাকার আরোগ্যের হারও বেশ কম। কেন এমন হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে দেরি হওয়ার জন্য  সংক্রমণ ছড়াচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

SARADINDU GHOSH

Published by:Piya Banerjee
First published:

Tags: Burdwan, Coronavirus

পরবর্তী খবর