দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

দেওয়ালে লাগানো পোস্টারকে ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন , সরগরম বর্ধমান

দেওয়ালে লাগানো পোস্টারকে ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন , সরগরম বর্ধমান

সাদা কাগজে হাতে লেখা কয়েকটি পোস্টারকে ঘিরে এখন সরগরম বর্ধমানের রাজনীতি।

  • Share this:

#বর্ধমান: সাদা কাগজে হাতে লেখা কয়েকটি পোস্টারকে ঘিরে এখন সরগরম বর্ধমানের রাজনীতি। কে বা কারা বর্ধমানের বিজেপির জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দীর বিরুদ্ধে এই পোস্টার লাগিয়েছে। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির হেভিওয়েট কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহের বৈঠকের আগে এই পোস্টার কে ঘিরে অস্বস্তিতে বিজেপির জেলা নেতৃত্ব।এই পোস্টারকে ঘিরে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই পোস্টার পড়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, বিজেপির বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর জন্য এই কাজ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

বুধবার বর্ধমান শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট লাগোয়া জেলাশাসকের অফিসের কয়েক ফুটের মধ্যে দেওয়ালে বেশ কয়েকটি পোস্টার লাগানো অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায় সাদা কাগজে হাতে লেখা ছিল পোস্টারগুলি। কয়েকটি পোস্টার আবার কম্পিউটারে প্রিন্ট করা হয়েছিল।তাতে বলা হয়েছে, বিজেপির জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী তৃণমূল কংগ্রেসের শহরের প্রভাবশালী দুই নেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখে চলছেন। তৃণমূলের ওই দুই নেতার অঙ্গুলিহেলনে যাবতীয় কাজ করেন বিজেপির জেলা সভাপতি। এর ফলে চরমভাবে সংগঠন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে বিজেপি কর্মীদের। বেলা যত বাড়ে পোস্টারকে ঘিরে কৌতূহল বাড়তে থাকে। একটা সময় আবার দেখা যায় কে বা কারা ওই পোস্টার ছিঁড়ে দিয়ে গিয়েছে।এই পোস্টার কে লাগাল তা নিয়েই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি মধ্যে জোর চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে বুঝতে পেরে তৃণমূল কংগ্রেস এখন এইসব করে বিজেপির নামে কুৎসা রটাতে চাইছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, আগেই বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছিল। এখন তার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। তারই জেরে তাদের জেলা সভাপতির নামে পোস্টার পড়েছে।
বিজেপি নেতা শ্যামল রায় বলেন, দলীয় সভাপতির বিরুদ্ধে পোস্টার দেওয়া বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সংস্কৃতি নয়। তাছাড়া আমাদের দলে কোনওরকম গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই। জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে অমিত শাহের বৈঠকের আগে সুপরিকল্পিতভাবে এই কাজ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাদের এই ধরনের কাজের চরম নিন্দা করছি আমরা। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানানো হচ্ছে পুলিশের কাছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা খোকন দাস বলেন,বর্ধমানে এখন বিজেপির কোনও প্রভাব নেই। অথচ দলের মধ্যে চরম গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। এর আগেও তাদের জেলা পার্টি অফিসে কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দলের গোষ্ঠী কোন্দলের কারণে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজনরা এই পোস্টার দিয়ে থাকতে পারে। এর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও যোগ নেই।
Published by: Akash Misra
First published: November 4, 2020, 8:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर