corona virus btn
corona virus btn
Loading

বর্ণবৈষম্যের বই কে নির্বাচন করেছিল ? স্কুলের শিক্ষিকাদের কথায় ধোঁয়াশা

বর্ণবৈষম্যের বই কে নির্বাচন করেছিল ? স্কুলের শিক্ষিকাদের কথায় ধোঁয়াশা

রেফারেন্স বুকে 'ইউ' অক্ষরের অর্থ বোঝাতে 'আগলি' শব্দের ব্যবহার, তার সঙ্গে 'কুৎসিত' বোঝাতে 'কৃষ্ণাঙ্গ' ব্যক্তির মুখের ছবিকে কেন্দ্র করে এখন কাঠগড়ায় বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল গার্লস হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ

  • Share this:

#বর্ধমান: রেফারেন্স বুকে 'ইউ' অক্ষরের অর্থ বোঝাতে 'আগলি' শব্দের ব্যবহার,  তার সঙ্গে 'কুৎসিত' বোঝাতে 'কৃষ্ণাঙ্গ' ব্যক্তির মুখের ছবিকে কেন্দ্র করে এখন কাঠগড়ায় বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল গার্লস হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শ্রাবণী মল্লিক ও প্রাথমিকের টিচার ইনচার্জ বর্ণালী ঘোষকে সাসপেন্ড করেছে শিক্ষা দফতর। প্রি-প্রাথমিকে পড়ানোর জন্য  ওই রেফারেন্স বই কে নির্বাচন করেছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।  স্কুলের প্রাথমিক বিভাগ ও মাধ্যমিক বিভাগ এজন্য একে অপরের কাঁধে দোষ চাপিয়ে দায় এড়াতে চাইছে।

জেলা শিক্ষা দফতর ইতিমধ্যেই ওই স্কুলের  প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষিকাকে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছে। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শ্রাবণী মল্লিক সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রাথমিকের রেফারেন্স বইয়ের একটি অংশকে কেন্দ্র করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক বিভাগ পড়ুয়াদের জন্য ওই বই নির্বাচন করেছিল। যদিও প্রধান শিক্ষিকার এই বক্তব্যের সঙ্গে একেবারেই সহমত নন স্কুলের প্রাথমিক বিভাগের টিচার ইনচার্জ বর্ণালী ঘোষ। ইতিমধ্যেই সাসপেন্ড হওয়া বর্ণালী দেবী বলেন, ওই বই আমি চোখেই দেখিনি। কোন ক্লাসে কোন বই পড়ানো হবে তা নির্বাচনের কোনও দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়নি। স্কুলের প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক বিভাগ এক হয়ে যাওয়ার পর প্রধান শিক্ষিকাই স্কুলের শেষ কথা। তাই বই নির্বাচন কে করেছিল তা প্রধান শিক্ষিকা বলতে পারবেন। স্কুলের কোনও দায়িত্বেই আমি ছিলাম না।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক স্বপন কুমার দত্ত বলেন, এ ব্যাপারে যাবতীয় দায় স্কুল কর্তৃপক্ষের। তারা এই দায় এড়িয়ে যেতে পারে না। সরকার এই বই ঠিক করে দেয়নি। স্কুলের প্রাথমিকে  রেফারেন্স বই পড়ানোর কোনও অনুমোদন নেই। তাই এই বই স্কুলের শিক্ষিকারাই নির্বাচন করেছিলেন। সেই নির্বাচনের দায়িত্বে কে বা কারা ছিল, তা স্কুল কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী বলেন, ওই বই কীভাবে স্কুলের পাঠ্যসূচির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। স্কুল চালু হলেই জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা স্কুলে গিয়ে শিক্ষিকাদের সঙ্গে কথা বলবেন। তাতেই প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

SARADINDU GHOSH

Published by: Rukmini Mazumder
First published: June 13, 2020, 8:39 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर