হস্টেলে পড়ুয়াদের হাতে পেনের বদলে হাতা-খুন্তি!

হস্টেলে পড়ুয়াদের হাতে পেনের বদলে হাতা-খুন্তি!

পড়াশোনা করতেই হস্টেলে পাঠানো হয় পড়ুয়াদের। কিন্তু খড়গপুরের জফলা আদর্শ হাইস্কুলের হস্টেলে তা আর হচ্ছে কই !

  • Share this:

#খড়গপুর: পড়াশোনা করতেই হস্টেলে পাঠানো হয় পড়ুয়াদের। কিন্তু খড়গপুরের জফলা আদর্শ হাইস্কুলের হস্টেলে তা আর হচ্ছে কই ! খাতায় কলমে রাঁধুনি আছেন। কিন্তু পেটের তাগিদে রান্না করতে হচ্ছে পড়ুয়াদেরই।

খড়গপুর লোকাল থানার জকপুরের জফলা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৷ তপশিলী জাতি ও তপশিলী উপজাতি শ্রেণীভুক্ত ছাত্রদের জন্য বিনামূল্যে পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে ৷ কিন্তু পড়াশোনা তো দূর। মাসের পর মাস রান্না করে খেতে হচ্ছে হস্টেল পড়ুয়াদের। কেউ ক্লাস ফাইভ, কেউ সিক্স, খুব বেশি হলে ক্লাস সেভেন। হস্টেলে রাঁধুনি নেই। তাই বাধ্য হয়েই বই-খাতা ছেড়ে খুন্তি-কড়াইয়ে হাত লাগাতে হয়েছে। খড়গপুরের জফলা আদর্শ হাইস্কুলের পড়ুয়ারা নিজেরাই জানালেন সেই হয়রানির কথা ৷

দু’বেলা খাবার পেতে পড়ুয়াদেরই রান্না করতে হয়। তারপরও ঠিকমতো টিফিন জোটে না। এমনকি সবজি ও রান্নার সামগ্রীর দামও না কি ছাত্রদের অ্যাকাউন্ট থেকেই কেটে নেওয়া হয়। তারপরও সপ্তাহে একদিন ডিম ও অনেক দিন বাদে মাছ খেতে চান না পড়ুয়ারা ৷

অমানবিকতার এখানেই শেষ নয়। রীতিমতো শিফ্টিং ডিউটি আকারে, পাঁচ থেকে সাতজন পড়ুয়াকে ঘুড়িয়ে ফিরিয়ে রান্নার কাজে লাগানো হয়। ঘটনাটি নজরে আসতেই সংবাদমাধ্যমকে জানান, কনফেডারেশন অফ SC-ST অরগানাইজেশনের সদস্য সুশান্ত দলুই।

একেই পড়ুয়া, তার ওপর সবাই নাবালক। তাই অপরাধ বলতে শুধু পড়ুয়াদের দিয়ে রান্না করানোই নয়। বেআইনি শিশুশ্রমেরও নজির রেখেছে এই হস্টেল। কিন্তু সব জেনেও মুখে কুলুপ স্কুলের হেড মাস্টার সুশান্তকুমার খাঁর। সে সম্পর্কে তাঁর থেকে প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে ফোন কেটে দেন ৷ পুনরায় যোগাযোগ করা হলে, ঘটনা অস্বীকার করে পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন একজন রাঁধুনি, দু'জন সহকারী আছেন ৷

First published: 11:15:53 AM Mar 26, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर