corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা সংক্রমণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ সাধারনের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হল, পূর্ব বর্ধমানে জেলা পরিষদের দফতরে মানতে হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি

করোনা সংক্রমণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ সাধারনের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হল, পূর্ব বর্ধমানে জেলা পরিষদের দফতরে মানতে হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি

পূর্ব  বর্ধমান জেলা পরিষদে এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে ভিড় এড়াতেই এই ব্যবস্থা বলে জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান:  করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সতর্কতা বাড়ল পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ ভবনে। করোনার সংক্রমণ রুখতে জেলা পরিষদ ভবনে সাধারণের প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত করা হলো। ইচ্ছেমত কেউই এখন জেলা পরিষদ ভবনে ঢুকে পড়ে সময় কাটাতে পারছেন না। জেলা পরিষদের প্রবেশ দ্বারে রক্ষীদের অনুমতি নিয়ে তবেই জেলা পরিষদ ভবনে এখন ঢুকতে পারছেন জেলার বাসিন্দারা। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে ভিড় এড়াতেই এই ব্যবস্থা বলে জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে।

করোনা আবহে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে কী করণীয় তা নির্ধারণ করতে কর্মাধ্যক্ষদের নিয়ে বৈঠকে বসেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা।  সেই বৈঠকেই সাধারণের প্রবেশের নিয়ন্ত্রণে কিছু কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জেলা পরিষদের ক্যান্টিনের দিকের প্রবেশ পথ পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে টিনের ব্যারিকেড বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গেট লাগোয়া এলাকায় রয়েছে জেলা পরিষদের ক্যান্টিন। সেই ক্যান্টিনে জেলা পরিষদের কর্মী আধিকারিকদের পাশাপাশি বাইরের অনেকেই ভিড় করেন। সেই ভিড় থেকে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

তাছাড়া জেলা পরিষদের ভবনে একসঙ্গে অনেকের প্রবেশ রুখতে দুটি গেটের বদলে এখন একটি গেট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেখানে সর্বক্ষণের কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। জেলা পরিষদ ভবনে ঢুকতে যাওয়া ব্যক্তিদের আসার কারণ জেনে নেওয়া হচ্ছে। কোন তলায় কার সঙ্গে কী প্রয়োজনে দেখা করবেন তা জানতে চাওয়া হচ্ছে। সেই কর্মাধ্যক্ষ বা আধিকারিক না থাকলে সেই ব্যক্তিকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। জেলা পরিষদের ঢোকার মুখে সবাইকেই স্যানিটাইজারে হাত পরিষ্কার করানো হচ্ছে। মুখে মাক্স না থাকলে জেলা পরিষদের কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বিভিন্ন প্রয়োজনে বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিরা যাতে বেশিক্ষণ জেলা পরিষদ ভবনের মধ্যে না থাকতে পারেন সেজন্যও নজরদারি ব্যবস্থা করা হয়েছে। অহেতুক কাউকে বেশিক্ষণ বসে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না। কাজ মিটিয়ে যাতে তাঁরা জেলা পরিষদ ভবন থেকে বেরিয়ে যান তা দেখার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন কয়েক জন কর্মী। জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা বলেন, জেলা পরিষদ ভবনকে জীবানুমুক্ত রাখতেই কিছু কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত লিফট সহ জেলা পরিষদ ভবন জীবানুমুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গেই বাড়তি ভিড় যাতে না হয় তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। বাইরে থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনে আসা ব্যক্তি, জেলা পরিষদের কর্মী আধিকারিক সকলের শারীরিক নিরাপত্তার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ।

Saradindu Ghosh

Published by: Debalina Datta
First published: July 14, 2020, 3:45 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर