শুরু হয়েছে ইলিশ ধরার মরশুম, তবে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় ফিরেছে বহু ট্রলার

Photo Collected

  • Share this:

    #দক্ষিণ ২৪ পরগণা: গত ১৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে এবারের ইলিশ ধরার মরশুম। ইতিমধ্যে আড়াই হাজারের বেশি ট্রলার পাড়ি দিয়েছে গভীর সমুদ্রে। কিন্তু প্রথম ট্রিপেই আবাহাওয়া অনুকুল না থাকায় অনেক ট্রলার আবার তড়িঘড়ি ফিরে এসেছে। গত বছর বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে একাধিক ট্রলার। প্রায় ৩৯ জন মৎস্যজীবীর মৃত্যু হয়। অনেকেই এখনও নিখোঁজ আছেন। সেই আতঙ্ক সবসময় তাড়া করে বেড়ায় মৎস্যজীবীদের।

    সমুদ্র উত্তাল হলেই খাঁড়ির মধ্যে ঢুকে পড়ে ট্রলারগুলি। সমুদ্র  উত্তাল হলে  ট্রলারগুলি সুন্দরবনের বিভিন্ন খাঁড়িতে ঢোকার মুখেই তাদের জন‍্য আপেক্ষা করে বিপদ কারণ এই সমস্থ খাঁড়িগুলিতে ঢোকার আগে পলি পড়ে তৈরি হয়েছে চড়া বা বলা চলে নদীর নব্যত্বা কমেছে। ফলে এই সমস্থ খাঁড়িতে ঢোকার আগে বড় বড় ঢেউকে উপেক্ষা করে তাদেরকে উপকূলের কাছে আসতে হয়। আর এই ঢেউ উপেক্ষা করে খাঁড়ির ভিতরে ঢুকতে গিয়ে ট্রলার চড়ায় লেগে ঢেউয়ের ধাক্কায় পাল্টি খেয়ে যায়। গতবছর এই ভাবেই ট্রলার দূর্ঘটনাগুলি ঘটেছিল, এমনটাই দাবি মৎস‍্যজীবিদের৷

    আরও পড়ুন

    তাদের আরও  দাবি এই সমস্থ খাঁড়িগুলিকে বয়া বা সিগনালে চিহ্নিত করা যায়, তাহলে খুব সহজেই তার ঢুকতে পারে খাঁড়ি গুলির মধ্যে। এখনও মাছমারাদের গ্রামগুলি থেকে স্বজন হারানোর কান্নার আওয়াজ ভেসে আসে। কিন্তু নিরুপায় হয়ে এই গ্রামের যুবকরা সমুদ্রে পাড়ি দেয়। আসলে মাছ ধরেই চলে এদের জীবন জীবিকা। তাই সবকিছু উপেক্ষা করেই এঁরা বছরের পর বছর সমুদ্রে মাছ ধরতে বের হয়। তবে এবার সরকারের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনা রুখতে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটাই আশার আলো বলে মনে করছেন সব পক্ষ। এই বিষয়েটি কথা শিকার করে নেন বিজন মাইতি (সুন্দর বন সামুদ্রিক মৎস‍্যজীবি ইউনিয়নের সম্পাদক)৷

    First published: