বর্ধমানে মাটি উৎসবের উদ্বোধনে থাকছেন মুখ্যমন্ত্রী, চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি 

বর্ধমানে মাটি উৎসবের উদ্বোধনে থাকছেন মুখ্যমন্ত্রী, চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি 
আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বর্ধমানের এগ্রিকালচার ফার্মে মাটি তীর্থ কৃষি কথা স্থায়ী মঞ্চ থেকে এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বর্ধমানের এগ্রিকালচার ফার্মে মাটি তীর্থ কৃষি কথা স্থায়ী মঞ্চ থেকে এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানে মাটি উৎসবের শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি তুঙ্গে। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বর্ধমানের এগ্রিকালচার ফার্মে মাটি তীর্থ কৃষি কথা স্থায়ী মঞ্চ থেকে এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশেই কৃষি কলেজের নবনির্মিত একাডেমিক ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করবেন তিনি। এছাড়াও কৃষি দফতরের নবনির্মিত অফিস ও কৃষি যন্ত্রপাতির ভাড়া কেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। চারদিন পরে এই উৎসব শুরু, আপাতত দিনরাত এক করে কাজ চলছে।

বর্ধমানের এগ্রিকালচার ফার্মে প্রতি বছরই এই মাটি মেলা হয়ে থাকে। সেখানেই রয়েছে মাটির তীর্থ কৃষি কথা স্থায়ী মঞ্চ। সেই মঞ্চ থেকেই এবারের মাটি উৎসবের উদ্বোধন হবে। এই উৎসবে পূর্ব বর্ধমান ছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া,বীরভূম পুরুলিয়া থেকে কৃষকরা আসবেন। থাকবেন লোক শিল্পীরাও। এখন মাটিতীর্থ কৃষি কথার স্থায়ী মঞ্চ মেরামত ও সাজিয়ে তোলার কাজ চলছে। এছাড়াও মাটি উৎসব চত্বরে বিভিন্ন স্টল তৈরির শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে।

মাটি উৎসবের প্রস্তুতি হিসেবে বুধবার উৎসব প্রাঙ্গণে প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার, জেলাশাসক মহম্মদ এনাউর রহমান, পুলিশ ও প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা। অন্যান্যবার এই উৎসব মঞ্চ থেকে জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার তাঁর কর্মসূচিতে কি কি থাকছে, এবার উৎসব কত দিনের হবে সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেই ওই বৈঠক হয় বলে জানা গিয়েছে।


মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার বলেন, মাটি উৎসব রাজ্য সরকারের কৃষি, উদ্যানপালন বন, পশুপালন,স্বাস্থ্য, কৃষি বিপণন,খাদ্য,পূর্ত দপ্তর সহ বেশ কয়েকটি বিভাগ যৌথভাবে আয়োজন করে থাকে। ইতিমধ্যেই তার সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। এবারও এই উৎসবে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের স্টল থাকবে বলে জানা গিয়েছে। তুলাইপাঞ্জি চাল থেকে শুরু করে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী কিনতে পারবেন বাসিন্দারা। শেষবার ২০১৮ সালে মুখ্যমন্ত্রী এই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন।

SARADINDU GHOSH

Published by:Rukmini Mazumder
First published: