আর রেলের কামরা নয়, এবার ঘরে বসেই পড়াশোনা করতে পারবে ছোট্ট অর্জুন

সোশাল মিডিয়ায় এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল প্রতাপাদিত্য গ্রাম পঞ্চায়েত

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 28, 2019 08:32 AM IST
আর রেলের কামরা নয়, এবার ঘরে বসেই পড়াশোনা করতে পারবে ছোট্ট অর্জুন
Representative Image
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 28, 2019 08:32 AM IST

#কাকদ্বীপ: এতদিন রেলের কামরাই ছিল পড়ার ঘর। আর স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম মাথা গোঁজার ঠাঁই। সোশাল মিডিয়ায় ছবি নজরে আসতেই পাশে দাঁড়াল কাকদ্বীপের প্রতাপাদিত্য পঞ্চায়েত। এবার থেকে পঞ্চায়েতের স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘরে থাকবেন ওঁরা। রেলের কামরা নয়, এবার ঘরে বসেই পড়াশোনা করতে পারবে ক্লাস সেভেনের অর্জুন দাস।

রাত আটটার নামখানা লোকাল... এতদিন এটাই ছিল ওর পড়ার ঘর....ওর স্বপ্ন দেখার কারখানা..এ’সময় একটু ফাঁকা পাওয়া যায় রেলের কামরা.. সেই ফাঁকেই দু দন্ড জিরিয়ে নেয় একরত্তি মেয়েটা। আর চোখে মুখে একরাশ ক্লান্তি নিয়ে বসে থাকেন আরতি দাস। তবে এসবে কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই ছোট্ট অর্জুনের। বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হবে যে। তাই রেলের কামরাতেই মন দিয়ে চলে পড়াশোনা।

এভাবেই বছর দশেক কাটিয়েছেন আরতিরা। স্বামী বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না। দুই সন্তানকে নিয়ে রাত কাটত স্টেশনের প্লাটফর্মে । কাকদ্বীপের এই গাছতলায় ফল বেচে কোনওরকমে দুবেলার খাবার জোটানো আর ছেলের পড়াশোনা।

সোশাল মিডিয়ায় এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল প্রতাপাদিত্য গ্রাম পঞ্চায়েত। এতদিন পর একটা ঘর পেলেন ওঁরা। মাথা গোঁজার ঠাঁই জুটেছে। এবার হয়তো একটু ভালো করে পড়াশোনা করতে পারবে অর্জুন। খুশিতে চোখ চকচক করে ওঠে ক্লাস সেভেনের পড়ুয়ার...

First published: 08:16:42 AM Aug 28, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर