বাজারের ব্যাগে শিশুপাচার!

File Photo

File Photo

বাজারের ব্যাগে পাচার করা হত সদ্যোজাত। আয়াদের কাছে রাখা হত শিশুদের।

  • Share this:

    #ফলতা: বাজারের ব্যাগে পাচার করা হত সদ্যোজাত। আয়াদের কাছে রাখা হত শিশুদের। পাচারে ব্যবসায় যে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্যন হত, ফলতায় শ্যামল-সাবিত্রীর প্রাসাদোপম বাড়িই তার প্রমাণ। সম্পত্তির হিসেব জানতে পুলিশের নজরে শ্যামল-সাবিত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।

    উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়ার পর দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ফলতা। বাদুড়িয়ার নার্সিংহোম থেকে জুতোর বাক্সে পাচার করা হত সদ্যোজাত। ফলতার ভাদুরার জীবনদীপ নার্সিংহোম থেকে সদ্যোজাত পাচারের জন্য ব্যবহার করা হত বাজারের ব্যাগ। বাজারের ব্যাগেই নার্সিংহোম থেকে শিশুদের পৌঁছে দেওয়া হত আয়াদের বাড়িতে। সেখান থেকে আবার তা পৌঁছে যেত নির্দিষ্ট কাস্টমারের হাতে। দিনের পর দিন এভাবেই লোকচক্ষুর আড়ালে চলত ফলতার শিশুপাচার চক্র।

    এই ব্যবসায় ঝুঁকি যেমন ছিল, তেমন ছিল উপার্যনও। জীবনদীপ নার্সিংহোমের ধৃত আয়া সাবিত্রী ও তার স্বামী শ্যামল বৈদ্যের সম্পত্তিই তার প্রমাণ। তদন্তে নেমে ফলতার শিবানীপুরে অভিযুক্ত দম্পতির প্রাসাদোপম বাড়ির হদিশ পেয়েছে পুলিশ। নার্সিংহোমের আয়ার চাকরি করে কীভাবে তিনতলা বাড়ি তৈরি করলেন সাবিত্রী, তা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।

    পুলিশ সূত্রে খবর, শিবানীপুরের বাড়ির পাশাপাশি, দম্পতির একাধিক বাড়ির ঠিকানার হদিশ পেয়েছে পুলিশ। সম্পত্তির হিসেব জানতে শ্যামল-সাবিত্রীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যও খতিয়ে দেখতে চান তদন্তকারীরা।

    First published: