বর্ধমানের নার্সিংহোমে শিশু বিক্রি চক্র, গ্রেফতার দম্পতি ও নার্সিংহোমের কর্মী

বর্ধমানের নার্সিংহোমে শিশু বিক্রি চক্র, গ্রেফতার দম্পতি ও নার্সিংহোমের কর্মী

সদ্যোজাত শিশুকন্যা পাচারের ঘটনার তদন্তে নামল জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

  • Share this:

SARADINDU GHOSH #বর্ধমান: এ যেন সিনেমার প্লট। মহিলাকে অন্তঃসত্ত্বা সাজিয়ে নার্সিংহোমে ভরতি করা হয়। তারপর টাকার বিনিময়ে অন্যের বাচ্চা তুলে দেওয়া হয় তাঁর হাতে। শেষ রক্ষা হল না। অভিযুক্ত দম্পতি ও নার্সিংহোমের এক কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খোঁজ চলছে বর্ধমান শহরের ওই নার্সিংহোমের মালিকের। সদ্যোজাত শিশুকন্যা পাচারের ঘটনার তদন্তে নামল জেলা স্বাস্থ্য দফতর। বেশ ভেবেচিন্তেই ছক কষা হয়েছিল। অন্তঃসত্ত্বা সাজিয়ে নার্সিংহোমে ভরতি করা হয় অনুশ্রী বিশ্বাসকে। ২ দিন পর তাঁর হাতে একটি শিশুকন্যা তুলে দেওয়া হয়। মেয়েকে নিয়ে কাটোয়ার বাড়িতে ফিরেও যান অনুশ্রী। কিন্তু বিয়ের ১১ বছর পর হঠা‍ৎ সন্তান হওয়ায় সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। একটু খোঁজখবরেই ঝুলি থেকে বিড়াল বেড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, বর্ধমান শহরের এই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে সন্তান কিনেছে বিশ্বাস দম্পতি।

দম্পতির বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে শিশুর জন্ম সার্টিফিকেট, তাতে অনুশ্রীকেই শিশুটির মা দেখানো হয়েছে। ঘটনা বিশ্বাসযোগ্য করতে প্রসূতির প্রেসক্রিপশনও দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অনুশ্রী ও তাঁর স্বামী প্রদীপকে। গ্রেফতার নার্সিংহোমের কর্মী শৈলেন রায়ও। নার্সিংহোমের টেকনিশিয়ানের পরিচয় দিয়ে শৈলেনই নাকি শিশু বিক্রির দালালি করত। প্রশ্ন উঠছে কোথা থেকে নিয়ে আসা হত সদ্যোজাতদের? পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, নার্সিংহোমে ভরতি থাকা প্রসূতিদের অনেককেই মৃত সন্তান জন্মানোর কথা বলা হত। সেই সদ্যোজাতদেরই বিক্রি করা হত। ঘটনার পর থেকেই উধাও নার্সিংহোমের মালিক, চিকিৎসক মোল্লা কাশেম আলি। কাটোয়া থানার পুলিশ শিশু বিক্রি চক্রের তদন্তে বিশেষ দল গঠন করেছে।

First published: December 13, 2019, 10:29 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर