দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বীভৎস! খুনের পরে মৃত মহিলাদের ওপর পাশবিক যৌন অত্যাচার চালাত চেনম্যান

বীভৎস! খুনের পরে মৃত মহিলাদের ওপর পাশবিক যৌন অত্যাচার চালাত চেনম্যান
আদালতের পথে চেনম্যান কামারুজ্জামান।

কম করে আটটি খুন ও সাতটি খুনের চেষ্টায় সে জড়িত বলে নিশ্চিত পুলিশ। লোহার চেন ও রড ছিল তার অপারেশনের মূল সামগ্রী।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: সব সময় তার টার্গেট ছিল মহিলারাই। একটানা পাঁচ বছর ধরে একের পর এক মহিলাকে ঠান্ডা মাথায় খুন করেছিল চেনম্যান কামরুজ্জামান। সেই সঙ্গে মৃত্যু নিশ্চিত করার পর মৃতদেহে উপর বীভৎস বিকৃত যৌন অত্যাচারে মেতে উঠতো সে। সেই বীভৎসতা কল্পনাকেও হার মানায়।

পুলিশ তদন্তে নেমে দেখেছে, প্রথম দিকে শুধু খুন করলেও দিন যত গড়িয়েছে ততই বেড়েছে খুনের পর বিকৃত যৌনতা মেটানোর স্পৃহা বেড়েছে। কম করে আটটি খুন ও সাতটি খুনের চেষ্টায় সে জড়িত বলে নিশ্চিত পুলিশ। লোহার চেন ও রড ছিল তার অপারেশনের মূল সামগ্রী।

নাইলনের ব্যাগে সেগুলি নিয়েই সে অপারেশনে বের হত। লাল কালো মোটর সাইকেলে চড়ে লাল হেলমেট পরে সে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেত। বেশিরভাগ ঘটনাই সে ঘটিয়েছে দুপুর থেকে সন্ধের মধ্যে। ঠান্ডা মাথায় খুন করে বিকৃত যৌন লালসা মেটানো তার নেশায় পরিণত হয়েছিল। খুনের পর লোহার রড দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করতো মৃত মহিলার যৌনাঙ্গ। কখনও যৌনাঙ্গে সে ঢুকিয়ে দিয়েছে অন্য কোনও জিনিসও। পুলিশ জানিয়েছে, শেষের দিকের ঘটনাগুলিতে খুনের পর বিকৃত যৌন লালসা, যৌন অত্যাচার বাড়তে দেখা গিয়েছে।

গত বছর মে মাসে কালনার এক গৃহবধূ এই সিরিয়াল কিলারের বীভৎস হামলার শিকার হয়েছিলেন। অতর্কিতে পেছন থেকে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন ওই মহিলা। তাঁর মৃত্যু হয়েছে ধরে নিয়ে যৌন অত্যাচারে মত্ত হয় চেনম্যান। তাঁর গোপনাঙ্গে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল কাঠের বেলুনি। হাসপাতালে দীর্ঘ অপারেশনের পর তা বের করেছিলেন চিকিৎসকরা। প্রাণে বেঁচে যান সেই মহিলা।

কালনার সিঙ্গের কোনে এলাকার নাবালিকা বাড়িতে একাই ছিল। সেই সুযোগে ঘরে ঢুকে তার চোখের ওপর সজোরে আঘাত করা হয়। গলা কাপড় দিয়ে বেঁধে শ্বাসরোধ করা হয়। মৃত্যু নিশ্চিত ধরে নিয়ে চেন ম্যান তার ওপর পাশবিক যৌন অত্যাচার শুরু করে। অপারেশনের শেষে লোহার রড দিয়ে তার নিম্নাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয়। বেঁচে ছিল ওই কিশোরী। কোমায় চলে গিয়েছিল সে। বর্ধমান মেডিকেলের ডাক্তাররা জটিল অপারেশনে সেই লোহার রড বের করলেও কোমা থেকে ফেরানো যায়নি দশম শ্রেণীর ওই ছাত্রীকে। বর্ধমান মেডিকেলে মৃত্যু হয় তার। এবার সেই মামলাতেই মৃত্যুদন্ডের সাজা হল চেনম্যান কামরুজ্জামানের।

Published by: Arka Deb
First published: July 7, 2020, 5:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर