কমিশনের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, রাজ্যে চতুর্থ দফার ভোটে ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী

কমিশনের নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, রাজ্যে চতুর্থ দফার ভোটে ১০০ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী
Representational Image
  • Share this:

#কলকাতা: রাজ্যে চতুর্থ দফার ভোটে একশো শতাংশ বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের বাইরেও ভোটারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে বাহিনীর হাতে। গুরুত্বের বিচারে লোকসভা আসনের তালিকা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বার্তারই কি ইঙ্গিত? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।

রাজ্যে ভোট যত এগোচ্ছে, ততই কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়াচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রথমে ঠিক হয়েছিল, শুধুমাত্র আসানসোলেই থাকবে একশো শতাংশ কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরবর্তী ক্ষেত্রে চতুর্থ দফায় একশো শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত হয়। সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে যত জওয়ান প্রয়োজন, তার চেয়েও বেশি বাহিনী পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। নজিরবিহীনভাবে বুথের বাইরেও ভোটারদের নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন করা হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।

চতুর্থ দফার ভোটের আগে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। যে আটটি কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে, গুরুত্বের বিচারে তার একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকায় সবার ওপরে আসানসোল ও বীরভূম।

 গুরুত্বের বিচারে কমিশনের তালিকা

১. আসানসোল ২. বীরভূম ৩. বোলপুর

৪. রানাঘাট ৫. কৃষ্ণনগর ৬. বহরমপুর ৭. বর্ধমান পূর্ব ৮. বর্ধমান দুর্গাপুর

আসানসোলে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়র এবারের লড়াই যথেষ্ট কঠিন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। গত দু্’বছর ধরে বীরভূমে নিজেদের অস্তিত্ব বারে বারে জাহির করেছে গেরুয়া শিবির। (বীরভূমে রাম নবমীর ফাইল ছবি) বোলপুরের গতবারের তৃণমূল প্রার্থী অনুপম হাজরা এবার যাদবপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ঠিকই, কিন্তু বীরভূম জেলার এই আসনটিতেও ভাল ফলের আশায় বিজেপি নেতৃত্ব। তালিকার একদম শেষে বর্ধমান পূর্ব ও বর্ধমান দুর্গাপুর। এই দু’টি আসনে বিজেপির কোনও অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। সেই কারণেই কমিশনের এমন তালিকা তৈরিতে রাজনৈতিক ইঙ্গিতের প্রশ্ন উঠছে। রাজ্যে তৃতীয় দফার ভোটে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলায় এক ভোটারের মৃত্যু হয়। তার প্রেক্ষিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

- চতুর্থ দফায় ৮ আসনে ১৫ হাজার ২৮৫টি বুথ রয়েছে - এখনও পর্যন্ত ৫৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে - সাধারণত এক কোম্পানিতে ১০০ জন জওয়ান থাকেন - তারমধ্যে ৬০ থেকে ৭০ জন জওয়ানকে কাজে লাগানো হয় - ৬০ জন করে ধরলেও ৫৮০ কোম্পানিতে জওয়ানের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৩৪ হাজার ৮০০ - বুথ প্রতি দু’জন জওয়ানের হিসেবে ১০০ শতাংশ বুথের নিরাপত্তায় থাকবেন ৩০ হাজার ৫৭০ জওয়ান - বাকি ৩ হাজার বাহিনী থাকবে সেক্টরের দায়িত্বে - সেক্টরের দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও

ভোটারদের নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন করা হবে তাদের।

First published: April 25, 2019, 11:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर