রুট মার্চে বেরিয়ে পুরুষ মহিলাদের সঙ্গে কথা বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, খুশি বাসিন্দারা

রুট মার্চে বেরিয়ে পুরুষ মহিলাদের সঙ্গে কথা বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, খুশি বাসিন্দারা

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে ঢুকে পড়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে ঢুকে পড়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

  • Share this:

#বর্ধমান: এবার শুধু রুটমার্চ নয়। সরাসরি গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলে তাদের আশ্বস্ত করল কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে থাকলেন জেলা পুলিশের আধিকারিকরাও। শুধুই চুপচাপ এলাকায় টহল বা রুট মার্চের বদলে বাড়ি বাড়ি গেল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। ডেকে ডেকে পুরুষ মহিলাদের সঙ্গে কথা বললেন পুলিশ আধিকারিক ও জওয়ানরা। সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলায় ধরা পড়লো সেই ছবি।

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে ঢুকে পড়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের এরিয়া ডমিনেশনেশনের কাজ। তেমনই সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষের নবগ্রামে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রুট মার্চ করে।সেই রুট মার্চ থেকে গ্রামবাসীদের মনোবল বাড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও জেলা পুলিশের আধিকারিকদের গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করতে দেখা গেল।

গত শনিবারই পূর্ব বর্ধমানে এসে পৌঁছায় এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।রবিবার থেকেই তারা রুট মার্চ শুরু করে।সোমবার খন্ডঘোষ থানার খন্ডঘোষ ও লোধনা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামে বর্ধমান সদর দক্ষিণ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আমিনুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে এই রুট মার্চ হয়।

রুট মার্চ গ্রামে পৌঁছাতেই গ্রামের মহিলা ও পুরুষ ভোটারদের আশ্বস্ত করতে দেখা যায় পুলিশ আধিকারিক ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।নির্বাচনী নির্ঘন্ট এখনও ঘোষনা না হলেও তার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই রুট মার্চ গ্রামবাসীদের মনোবল বাড়াতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন বর্ধমান দক্ষিণ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক আমিনুল ইসলাম খান। ভোট এলেই রাজনৈতিক হিংসা হানাহানি অশান্তির কারণে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটে শান্তিপ্রিয় বাসিন্দাদের। তাই আগেভাগে এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে আসায় খুশি বাসিন্দারা। তারা জানিয়েছেন এলাকায় কোনও ভয়-ভীতি প্রদর্শন হলে বা কোন রাজনৈতিক দল হুমকি দিলে, কোন নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে তৎক্ষণাৎ তা পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে জানাতে বলা হয়েছে। প্রশাসন তত নির্বাচন কমিশনের এই তৎপরতায় আমরা খুশি। স্বাধীনভাবে ভোট দেয়া যাবে বলে মনে হচ্ছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published:

লেটেস্ট খবর