• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ঝাঁক ঝাঁক রঙিন প্রজাপতি, ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজবাড়ির সবুজ বাগানে!

ঝাঁক ঝাঁক রঙিন প্রজাপতি, ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজবাড়ির সবুজ বাগানে!

মেঘ-ছায়া শরতের মৃদু বাতাসে রঙের হিল্লোল। কামিনীর সুঘ্রাণ মেখে, দোলনচাঁপার মধু লুটে আধফোটা ফুলের ওপর হামলে পড়েছে জন্মরঙিন একঝাঁক প্রজাপতি।

মেঘ-ছায়া শরতের মৃদু বাতাসে রঙের হিল্লোল। কামিনীর সুঘ্রাণ মেখে, দোলনচাঁপার মধু লুটে আধফোটা ফুলের ওপর হামলে পড়েছে জন্মরঙিন একঝাঁক প্রজাপতি।

মেঘ-ছায়া শরতের মৃদু বাতাসে রঙের হিল্লোল। কামিনীর সুঘ্রাণ মেখে, দোলনচাঁপার মধু লুটে আধফোটা ফুলের ওপর হামলে পড়েছে জন্মরঙিন একঝাঁক প্রজাপতি।

  • Share this:

#মহিষাদল: মেঘ-ছায়া শরতের মৃদু বাতাসে রঙের হিল্লোল। কামিনীর সুঘ্রাণ মেখে, দোলনচাঁপার মধু লুটে আধফোটা ফুলের ওপর হামলে পড়েছে জন্মরঙিন একঝাঁক প্রজাপতি। দৃশ্যটা ঠিক চেনা নয়, গতিপথটাও অজানা, তবে স্বপ্নে দেখার মতোই নাগালের বাইরে থাকা এই অপরূপ দৃশ্য এখন সহজেই দেখতে পাওয়া যাবে মহিষাদল রাজবাড়ির প্রাঙ্গণে। দেখা মিলছে রাজবাড়ির ফুলবাগ প্যালেসের আঙিনায়, বাগানে, ঝোপঝাড়ে। যেখানে ফুলে ফুলে ডানা মেলে ধরেছে রং-বেরঙের প্রজাপতি। এবারের পুজোয় যা দর্শনার্থী এবং পর্যটকদের কাছে বাড়তি আকর্ষণের হয়ে উউঠেছিল। নিজেদের বাগান ভর্তি প্রজাপতি দেখে সমান   উৎসাহী রাজপরিবারও। সৌন্দর্যায়নের লক্ষ্যে প্রজাপতি পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। জানালেন রাজ পরিবারের বর্তমান বংশধর হরপ্রসাদ গর্গ। ঘুরে দেখা শতাব্দী প্রাচীন রাজবাড়ীর এ-পাশ, ও-পাশ। ঘুরে দেখা রাজবাড়ির প্রাচীন দুর্গা পুজো। পুজো দেখার ফাঁকে মহিষাদল রাজবাড়ির ফুলবাগ প্যালেসের দিঘি পাড়ের বাগান ঘুরে দেখতে গিয়ে অবাক হয়েছেন পর্যটক ও পূর্ণার্থীরা। যেখানে দেখা যাচ্ছে গাছে গাছে ঘুরে বেড়ানো নানা রঙের হাজারো প্রজাপতিদের। গুচ্ছ গুচ্ছ রঙিন প্রজাপতি। যা রাজবাড়ির এবারের পুজো দেখতে আসা মানুষের কাছে হয়ে উঠেছিলো আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। গাছ ভর্তি রঙিন প্রজাপতির দল। তাদের আনাগোনা আর ঘুরে বেড়ানো মহিষাদল রাজবাড়ির ফুলবাগ প্যালেসের বাগান বাড়ি জুড়েই। সকলের কাছে  নতুন এবং ভালোলাগার হয়ে ধরা দিয়েছে। হাজারো  প্রজাপতির আনাগোনা দেখে উৎসাহিত রাজ পরিবার চাইছেন পাকাপাকিভাবে প্রজাপতি পার্ক গড়ে তুলতে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই পরিকল্পনা প্রস্তাব প্রশাসনের কাছে পাঠিয়েও দিয়েছেন তাঁরা। যদিও সেই প্রস্তাব মেনে কাজ শুরুর আগেই এবারের পুজোর দিনগুলিতে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে সবুজ গাছগাছালির ডালপালায় ঘুরে বেড়ানো রঙিন প্রজাপতিদের দেখতে যেভাবে  ভীড় জমান পুজো দর্শনার্থী থেকে পর্যটকরা, তাতে খুশি রাজ পরিবারের সদস্যরা। প্রজাপতি দেখে সকলেই বলছেন, করোনার কঠিন সময়ে এ এক অন্য উপহার। এই সময়কালে নিস্তব্ধতার সুযোগ নিয়েই যেন সবার আড়ালে রাজবাড়ির বাগান জুড়ে সংখ্যায় বেড়েছে রঙিন প্রজাপতির আনাগোনা। নানা রঙের প্রজাপতির উড়োউড়ি, রাজ পরিবারকে প্রজাপতি পার্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে উৎসাহিত করে তুলেছে। আসলে প্রজাপতি ভালোবাসেন না, এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই বললেই চলে। অবিরল পুষ্পবৃষ্টির মতোই রূপের বাহার নিয়ে ঘুরে বেড়ানো প্রজাপতির দল আমাদের দেশের মানুষের কাছে আনন্দ, ভালোবাসা ও সৌভাগ্যের প্রতীক। একটিবার গায়ে এসে বসলে আর রক্ষে নেই, সাতপাকে বাঁধা অবধারিত। যদিও স্পন্দনশীল এই পতঙ্গটি বর্তমানে বিশ্বায়ন এবং বৃক্ষচ্ছেদনের ফলে প্রকৃতি থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই প্রজাপতি দলেরই দেখা মিলছে রাজবাড়ির বাগান বাড়িতে। যে খবর জানাজানি হলেই আনন্দে মাতবেন মানুষ। বলছেন মহিষাদলের মানুষজন। বলছেন কলেজ পড়ুয়া অদ্রিজা চৌধুরী থেকে কলকাতা থেকে রাজবাড়ি ঘুরতে আসা সুমন বোস সকলেই।

Published by:Akash Misra
First published: