corona virus btn
corona virus btn
Loading

ব্যস্ততম জাতীয় সড়কে ধস, সৌন্দর্যায়নের কাজ করতে গিয়েই এই হাল অভিযোগ বিরোধীদের

ব্যস্ততম জাতীয় সড়কে ধস, সৌন্দর্যায়নের কাজ করতে গিয়েই এই হাল অভিযোগ বিরোধীদের
Photo: News 18 Bangla

কী কারণে ধস, তদন্তে পূর্ত দফতর। ডায়মন্ড হারবারে হুগলি নদীর ধার ঘেঁসে চলে গিয়েছে একশ সতেরো নম্বর জাতীয় সড়ক। জেটিঘাট লাগোয়া রাস্তার ধারে চলছিল নদীরপাড় সৌন্দর্যায়নের কাজ।

  • Share this:

#ডায়মন্ড হারবার: ডায়মন্ড হারবারের ব্যস্ততম একশ সতেরো নম্বর জাতীয় সড়কে ধস। হুগলি নদী গর্ভে চলে গিয়েছে জাতীয় সড়কের প্রায় আশি শতাংশ। অভিযোগ, নদীপাড় সৌন্দর্যায়নের কাজ করতে গিয়ে মাটি আলগা হয়েই ধস নামে। পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রীর দাবি, নদীর ভাঙনের জেরেই রাস্তায় ধস।

কী কারণে ধস, তদন্তে পূর্ত দফতর। ডায়মন্ড হারবারে হুগলি নদীর ধার ঘেঁসে চলে গিয়েছে একশ সতেরো নম্বর জাতীয় সড়ক। জেটিঘাট লাগোয়া রাস্তার ধারে চলছিল নদীরপাড় সৌন্দর্যায়নের কাজ। পঁচিশ কোটি টাকা খরচে কাজ করছিল পূর্ত ও পর্যটন দফতর। জাতীয় সড়কের ওই অংশের রাস্তাতেই আচমকা ধস। বৃহস্পতিবার সকালে নদীগর্ভে ঢুকে যায় জাতীয় সড়কের পঞ্চাশ ফুট অংশ। কিন্তু কেন ধস নামল? অভিযোগ উঠছে,নদীর পাড় সৌন্দর্যায়নের জন্য ড্রিল মেশিন দিয়ে বোরিং চলছিল৷ এর ফলে নদীর তলার মাটি সরে গিয়েই ভাঙন শুরু হয়৷

নদীর ধারে কোনও প্রকল্পের কাজ করতে গেলে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন। বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি,নদীর ধার থেকে অন্তত ৫০০ মিটার দূরে নির্মাণ করা যায়৷ ডায়মন্ড হারবারের ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ওই অংশটি 'হাই টাইড জোন'৷ এক্ষেত্রে কলকাতার বন্দর থেকে বিশেষ 'অ্যাকোয়া টেস্ট' ও 'ইরোশন টেস্ট' করা হয়৷ সেই রিপোর্ট পূর্ত দফতরে জমা পড়ার পর ডিপিআর তৈরি হয়৷ কিন্তু নদীর পাড় সৌন্দর্যায়নের জন্য কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি বলেই দাবি কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষের।

আরও পড়ুন মানবিক মুখ! অভিযুক্তের মায়ের শেষকৃত্যর জন্য নিগ্রহের অভিযোগ তুলে নিলেন চিকিৎসক

নদীর পাড় সৌন্দর্যায়ন নিেয় রাজ্য সরকারকে খোঁচা বিরোধীদের গলায়।তবে পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী বলছেন, বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই কাজ শুরু হয়। ধসের পর কলকাতা বন্দর, জাতীয় সড়ক, সেচ দফতর ও পূর্ত দফতরের আধিকারিকরা বৈঠক করেন। কী কারণে ধস, তা তদন্ত করে দেখছে পূর্ত দফতর। সেচ দফতরের সাহায্যে রাস্তা সারাই করছে পূর্ত দফতর। সৌন্দর্যায়নের কাজ হবে কি না, তা রাস্তা সারানোর পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ধস নামার কারণ খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় সরকারি বিশেষজ্ঞ সংস্থা রাইটসও।

First published: August 1, 2019, 11:57 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर