• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • জমল না পুজোর বাজার, হতাশ বর্ধমানের ব্যবসায়ীরা

জমল না পুজোর বাজার, হতাশ বর্ধমানের ব্যবসায়ীরা

দুর্গা পুজোর চেনা ভিড় নেই বর্ধমান শহরে৷

দুর্গা পুজোর চেনা ভিড় নেই বর্ধমান শহরে৷

শহরের বাসিন্দারা বলছেন, এবার পুজো দেখতে যাওয়ার আগ্রহ নেই অনেকের মধ্যেই।

  • Share this:

    #বর্ধমান: জমল না পুজোর বাজার। হতাশ বর্ধমানের বস্ত্র ব্যবসায়ীরা। লকডাউন পর্ব পার করে পুজোর কেনাকাটা জমে উঠবে এমনটাই আশা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু পুজো শুরুর মুখেও দোকানে সেভাবে ভিড় উপচে পড়েনি। আর সেজন্যই হতাশ ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, দীর্ঘ ছয় মাস ব্যবসা একরকম হয়নি বললেই চলে। পুজোর বাজারের উপর নির্ভর করে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করা হয়েছিল কিন্তু সেভাবে জমল না পুজোর বাজার। করোনা পরিস্থিতি এবং তার জেরে বাসিন্দাদের হাতে অর্থ না থাকা ও তার পাশাপাশি পরিবহণের সমস্যাকে ব্যবসা না হওয়ার জন্য দায়ী করছেন তাঁরা।

    অন্যান্য বার পুজোর কয়েকদিন আগে বর্ধমানের মূল বাজার এলাকা বি সি রোডে হাঁটাচলা দায় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এবার এখনও সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্যান্য বার দোকান বন্ধ করতেই রাত এগারোটা বেজে যেত। সেখানে এখন রাত আটটা থেকেই চারপাশ শুনসান হয়ে যাচ্ছে। দুপুরের পর কিছু ক্রেতা আসছেন ঠিকই, তবে তা আগের বছরগুলোর সঙ্গে কোনওভাবেই তুলনীয় নয়। তাঁরা বলছেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় অনেকেই জেলার সদর শহর বর্ধমানে আসতে পারছেন না। বাস চলাচল অনিয়মিত। তার উপর বাসের ভিড়ে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা। তাই অনেকেই এবার পুজোর বাজার থেকে দূরে থাকছেন।স্থানীয় বাজারে প্রয়োজনীয় টুকিটাকি কিনে নিচ্ছেন তাঁরা।

    শহরের বাসিন্দারা বলছেন, এবার পুজো দেখতে যাওয়ার আগ্রহ নেই অনেকের মধ্যেই। মহিলাদের অনেকেই ঘরের বাইরে সেভাবে পা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। ছোটদেরও এবার সেভাবে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরা হবে না। বিশেষ বেরোবেন না বয়স্করাও। কারণ সব ক্ষেত্রেই করোনায় আক্রান্ত হবার আশঙ্কা। সে কারণেই অনেকের মধ্যে পুজোর নতুন পোশাক কেনার আগ্রহ নেই। আবার একটানা লক ডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। উপার্জন বন্ধ। হাতে অর্থ নেই। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে অনেকেই এখন পুজোয় নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবতেও পারছেন না।এসব কারণেই ভিড় নেই বর্ধমানের পুজোর বাজারে।

    Saradindu Ghosh

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: