বর্ধমান শহরের ভেতর দিয়ে বাস চলাচল শুরু করার দাবিতে একজোট হলেন ব্যবসায়ীরা 

বর্ধমান শহরের ভেতর দিয়ে বাস চলাচল শুরু করার দাবিতে একজোট হলেন ব্যবসায়ীরা 
শহরের ভেতর দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় তাঁরা চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ব্যাবসায়ীরা

শহরের ভেতর দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় তাঁরা চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ব্যাবসায়ীরা

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমান শহরের ভেতর দিয়ে যাত্রীবাহী বাস চলাচল শুরু করার দাবি তুললেন ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যেই শহরের বাইশটি ব্যবসায় সংগঠন এক মঞ্চে বসে এই দাবি নিয়ে জোরদার আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা জেলা প্রশাসন ও শাসক-বিরোধী সব রাজনৈতিক দলের কাছে তাদের দাবির কথা জানিয়েছে। শহরের ভেতর দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় তাঁরা চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ব্যাবসায়ীরা।

বর্ধমান শহরের মাঝে দিয়ে গিয়েছে জি টি রোড। এই রাজপথকে বর্ধমান শহরের লাইফ লাইন বলা হয়। এই রাস্তার দু'পাশে রয়েছে বিভিন্ন দোকান বাজার। এছাড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র কার্জন গেট থেকে বিসি রোড হয়ে বড়বাজার পর্যন্ত শহরের মূল বাজার এলাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি শহরের ভেতর দিয়ে বাস চলাচল না করায় চরম আর্থিক লোকসানের মধ্যে পড়েছেন তারা তাই ব্যবসার স্বার্থে ও বহু মানুষের রুটি-রুজির কথা চিন্তা করে শহরের ভেতর দিয়ে বাস চালানোর দাবি তুলেছেন তারা।

আগে বর্ধমান শহরের ভেতর তিনকোনিয়া ছিল মূল বাসট্যান্ড। সেখান থেকেই সব বাস চলাচল করত। এরপর শহরের দুই প্রান্ত নবাবহাট ও উল্লাসে দুটি বাস স্ট্যান্ড তৈরি করা হয়। শহরকে যানজট মুক্ত করতে ওই দুটি বাস স্ট্যান্ড থেকে এখন সব বাস চলাচল করে। মূল শহরের ভেতরে ঢুকতে পারে না বাসগুলি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ছয় বছর হল বর্ধমান শহরের ভেতর দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। আগে খুব সহজেই গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দারা জেলার সদর শহরে এসে কেনাকাটা করতে পারতেন। কিন্তু এখন শহরে বাস না ঢোকায় অনেকেই মূল শহরে আসছেন না। যাঁরা আসছেন, তাঁদের বাড়তি অনেক টাকা খরচ করে টোটো বা অন্য যানবাহন ধরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। বাইরের বাসিন্দারা না আসায় মার খাচ্ছে ব্যবসা।


ব্যবসায়ীরা বলছেন, বর্ধমান শহরের জি টি রোড এখন অনেক চওড়া হয়েছে। নতুন উড়ালপুল তৈরি হয়েছে। তাই ক্রিসক্রস পদ্ধতিতে শহরের ভেতর যাত্রীবাহী বাস চালানো হোক। তাতে উপকৃত হবেন ব্যবসায়ীরা। বাসিন্দাদের অনেক সুবিধা হবে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: