corona virus btn
corona virus btn
Loading

তিরিশ বছর পেঁয়াজ না খেয়ে দিব্যি আছে পরিবার

তিরিশ বছর পেঁয়াজ না খেয়ে দিব্যি আছে পরিবার
  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: পেঁয়াজের আকাশছোঁয়া দামে চারদিকে যখন হাপিত্যেশ ৷ তখন সেসব দেখে মিটিমিটি হাসছেন বর্ধমানের সুকান্তপল্লীর বাসিন্দা অসীমকুমার মুখোপাধ্যায়। পেঁয়াজ না খেয়েও দিব্যি থাকা যায়- বলছেন তিনি। প্রায় তিরিশ বছর সপরিবারে আমিষ খাদ্যের পাশাপাশি পেঁয়াজ খাওয়া ছেড়েছেন এই অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক কর্মী। এখনও বর্ধমানের বাজারে পেঁয়াজের কেজি প্রতি দর ১২০ টাকা। থলি হাতে বাজারে গিয়ে পেঁয়াজের দাম শুনে নাকের জলে চোখের জলে অবস্থা অনেকেরই। মাছ মাংসের দামও বেড়েই চলেছে। সেসব দেখে অসীমবাবু বলছেন, এতো দাম দিয়ে পেঁয়াজ খাওয়ার বদলে দই ছানা ফল খেলেই তো হয়। ঘোড়া শুধু ছোলা খেয়ে এতো শক্তি পেলে শাক সবজি খেয়ে আমিই বা শক্ত থাকতে পারব না কেন ?

অনেকে ধর্মীয় কারণে পেঁয়াজ খান না। আগে আর পাঁচজনের মতোই আমিষ, নিরামিশ সবই খেতেন অসীমবাবু ও তাঁর পরিবার। কিন্তু তাতে লাভের বদলে শরীরের ক্ষতিই বেশি উপলব্ধি করেন অসীমবাবু। সেই থেকেই বন্ধ। তিরিশ বছর পেঁয়াজ ও আমিষ খাবার ছেড়েছেন। তাঁর স্ত্রী পুত্রও সেই থেকেই নিরামিষভোজী। অসীমবাবুর স্ত্রী কাবেরী মুখোপাধ্যায় বললেন, আগে খুব গ্যাস অম্বলে ভুগতাম। পেঁয়াজ ছেড়ে সেসবের থেকে রেহাই মিলেছে।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, রান্না করা পেঁয়াজে গুনাগুন বজায় থাকে সামান্যই। অসীমবাবু বলছেন, পেঁয়াজ ছাড়া রান্নার স্বাদ আসে না এটা পুরোপুরি ভুল ধারণা। পেঁয়াজ ছাড়াই লবঙ্গ, দারচিনি, এলাচ-সহ অন্যান্য মশলা দিয়ে সুস্বাদুভাবেই অগুণতি রান্না পরিবেশন করা যায়। তাতে একটু ঘি মিশলে তো কথাই নেই। আমাদের এরাজ্যে পালং, পুনকো, সজনে, লাউ, কুমড়ো সহ চব্বিশ পঁচিশ রকমের শাক মেলে। সজনে, বক, কুমড়ো সহ কয়েক রকমের ফুল রয়েছে। এছাড়াও মেলে কত রকমের সবজি। এসব পেঁয়াজ ছাড়াই সুন্দর রান্না করা যায়। পেঁয়াজ সহ আমিষের খাদ্যগুনের ঘাটতি এসব খাবারেই পূরণ হয়ে যায়।

পেঁয়াজ সহ আমিষ খাদ্যের বদলে তিনি যথেষ্ট পরিমানে দুধ, ছানা, টক দই, সবজি ফল খেয়ে সপরিবারে সুস্থ ও নীরোগ রয়েছেন।

তাঁর ব্যক্তিগত উপলব্ধি, ক্রোধ সংবরন করে শরীর ঠাণ্ডা ও শান্ত রাখতে পেঁয়াজ না খাওয়াই ভালো।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: December 13, 2019, 12:33 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर