• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে মালসায় ভোগ বিতরণ শুরু ! করোনার জন্য থাকছে কিছু বিধি-নিষেধ !

বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে মালসায় ভোগ বিতরণ শুরু ! করোনার জন্য থাকছে কিছু বিধি-নিষেধ !

প্রতিদিন ঘুম ভাঙার পর মাকে স্নান করান পুরোহিতরা। নতুন পোশাকে সেজে ওঠেন মা সর্বমঙ্গলা।

প্রতিদিন ঘুম ভাঙার পর মাকে স্নান করান পুরোহিতরা। নতুন পোশাকে সেজে ওঠেন মা সর্বমঙ্গলা।

প্রতিদিন ঘুম ভাঙার পর মাকে স্নান করান পুরোহিতরা। নতুন পোশাকে সেজে ওঠেন মা সর্বমঙ্গলা।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা পরিস্থিতিতে ভিড় এড়াতে ভক্তদের বসিয়ে ভোগ খাওয়ানো আপাতত বন্ধ থাকছে বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। সংক্রমণ রুখতে পুজোর দিনগুলিতে ভক্তদের মধ্যে ভোগ বিতরণ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। অন্য বার পুজোর দিনগুলিতে অগণিত ভক্ত এই মন্দিরের ভোগ গ্রহণ করতেন। সপ্তমী, অষ্টমীতে তো বটেই মহানবমীতে প্রতিবার কয়েক হাজার ভক্ত মন্দিরে পুজো দিয়ে এক সারিতে বসে ভোগ গ্রহণ করতেন। অনেকেই মালসায় ভোগ বাড়িতে নিয়ে যেতেন।সেই পরিচিত দৃশ্য এবার দেখা যায়নি বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। পুজো মিটতেই মালসা ভোগ ফের চালু হলেও , মন্দিরে বসে ভোগ খাওয়া আপাতত বন্ধই থাকছে।

প্রতিদিন ঘুম ভাঙার পর মাকে স্নান করান পুরোহিতরা। নতুন পোশাকে সেজে ওঠেন মা সর্বমঙ্গলা। মায়ের গায়ে ছেটানো হয় সুগন্ধী। এরপর মাকে সরবত নিবেদন করা হয়। কিছু সময় পরে মাকে লুচি তরকারি মিষ্টি নিবেদন করা হয়। এরপর শুরু হয় নিত্য পূজা। বেলা বারোটা পর্যন্ত সেই পুজো চলে। এরপর শুরু হয় মায়ের মধ্যাহ্ন আহার। তখন মাকে পঞ্চ ব্যঞ্জন, শাকান্ন, পুষ্পান্ন, পরমান্ন নিবেদন করা হয়। অর্থাৎ বিভিন্ন রকম তরকারি ছাড়াও শাক, ভাত, পোলাও, পায়েস মাকে নিবেদন করা হয়। মাগুর মাছের টক মায়ের বিশেষ প্রিয়। তাই সারা বছর সেই টক চাই ই চাই।তবে একান্তই মাগুর মাছ না পেলে অন্য যে কোনও মাছ দিয়ে মাছের টোপ তৈরি করা হয়। এরপর মধ্যাহ্ন আহারের পর বিশ্রাম ঘরে শয়নে যান মা দুর্গা।

বিকেলে ফের মাকে মূল মন্দিরে নিয়ে আসা হয়।সন্ধ্যায় মাকে শীতল ভোগ নিবেদন করা হয়। তখন লুচি-মিষ্টি নিবেদন করা হয়। সন্ধ্যারতির পর রাতে শয়ন ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় মাকে। এসি ঘরে মশারি টাঙানো পালঙ্কে শয়নে যান মা দুর্গা। মায়ের দুপুরের ভোগ বিলি করা হয় ভক্তদের মধ্যে। এখানে বসে খাওয়া ও মালসা করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সেজন্য মন্দিরে কুপন কাটতে হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে বসে খাওয়া বন্ধ।

সর্বমঙ্গলা ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষে সঞ্জয় ঘোষ বলেন, ভিড় এড়ানোর জন্য ভক্তদের একাসনে বসিয়ে ভোগ খাওয়ানোর প্রথা বন্ধ থাকছে। তবে মালসা ভোগ বিতরণ চালু করা হয়েছে। পঞ্চাশ টাকার কুপনে মালসায় করে বাড়িতে ভোগ নিয়ে যেতে পারছেন ভক্তরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ বন্ধ থাকবে।

SARADINDU GHOSH 

Published by:Piya Banerjee
First published: