• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • BURDWAN POLICE GIVING INNOVATIVE PUNISHMENT TO PEOPLE MOVING OUT IN LOCKDOWN RM

লকডাউন ভাঙলেই 'অভিনব' শাস্তি দিচ্ছে বর্ধমান জেলার পুলিশ

অনেক সময় রাস্তায় জালগাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। ঝাঁকে ঝাঁকে নিয়ম ভঙ্গকারীদের আটক করে সেই গাড়িতে তোলা হচ্ছে

অনেক সময় রাস্তায় জালগাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। ঝাঁকে ঝাঁকে নিয়ম ভঙ্গকারীদের আটক করে সেই গাড়িতে তোলা হচ্ছে

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানে লকডাউন ভাঙলে রাত পর্যন্ত আটকে রাখছে পুলিশ। 'জরুরি প্রয়োজন ছাড়া লকডাউন চলাকালীন আর ঘরের বাইরে পা দেব না 'বলে মুচলেকাও দিতে হচ্ছে। লক ডাউন ভঙ্গকারীদের রাত পর্যন্ত আটকে রেখে ছেড়ে দিচ্ছে পুলিশ। কখনও কখনও পানীয় জল ও খাবারও দেওয়া হচ্ছে। আবার কয়েক জনকে গ্রেফতার করে আদালতেও পাঠানো হয়েছে। সব মিলিয়ে মানুষের অহেতুক বাইরে বেরনো আটকাতে নরমে গরমে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ।

লকডাউন চলছে। তা সত্ত্বেও কিছু মানুষ নানান অছিলায় ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন। তাঁদের আটকাতে বর্ধমান শহরের কার্জন গেট, বীরহাটা, পার্কাস রোড, গোলাপবাগ মোড়, বি সি রোডে মাঝেমধ্যই অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। কখনও কখনও সেই অভিযানে সামিল হচ্ছেন জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায়-সহ পুলিশ অফিসারেরা। দিনে তো বটেই, কখনও কখনও রাতেও চলছে ধর-পাকড়। অনেকে ওষুধ আনতে বের হওয়ার কথা বলছেন। অনেকে ব্যাগের সবজি দেখাচ্ছেন। কিন্তু অনেকে বাইরে বের হওয়ার জুতসই কারণ দেখাতে পারছেন না,পুলিশের হাতে ধরা পড়ছেন তাঁরাই।

অনেক সময় রাস্তায় জালগাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। ঝাঁকে ঝাঁকে নিয়ম ভঙ্গকারীদের  আটক করে  সেই গাড়িতে তোলা হচ্ছে। থানার লক আপে জায়গা কম। তাই ধৃতদের রাখা হচ্ছে মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলে। সেখানে এমনিতেই পরিযায়ী শ্রমিক, যাঁরা পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন, তাঁদের রাখা হয়েছে। সেখানেই রাখা হচ্ছে নিয়ম ভেঙে অকারণে পথে বের হওয়া বাসিন্দাদের। প্রতিদিনই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে ধর-পাকড়। অনেক সময় বাসিন্দাদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে বোঝানো হচ্ছে। কেন অকারণে বাড়ি থেকে বের হওয়া উচিত নয়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বাড়িতে থাকাই এখন সবচেয়ে নিরাপদ...বুঝিয়েই চলেছে পুলিশ। তবুও নানান অছিলায় বেরিয়েও পড়ছে অনেকে। এক পুলিশ অফিসার বললেন, ' এক একটি মোটর সাইকেলে ৩জন করেও বের হচ্ছে। ধরলে বলছেন, 'ওষুধ আনতে যাচ্ছি।' প্রেসক্রিপশনও দেখাচ্ছেন। 'কিন্তু ওষুধ আনতে ৩ জন কেন?  ১ জনই তো যথেষ্ট ! এই প্রশ্নের আর উত্তর নেই!  মানুষ সচেতন হলে মারণ ভাইরাস থেকে রক্ষাও মিলবে, আমাদেরও পরিশ্রম কমবে অনেকটাই।'

Saradindu Ghosh

Published by:Rukmini Mazumder
First published: